১১ জুলাই : বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে স্পেন। শুক্রবার রাতে সুপার-সাব মিকেল মোরিনোর লক্ষ্যভেদে কঠিন যুদ্ধে উতরে গেল লা রোহা ব্রিগেড। জয় ২-১ গোলে। স্পেনের অপর গোলদাতা ফ্যাবিয়ান রুইজ। মঙ্গলবার প্রথম সেমি-ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল রেখে বেলজিয়ামের উপর চাপ তৈরি করে স্পেন। তবে প্রতিপক্ষের বক্সে বারবার থমকে যাচ্ছিল লা রোহা ব্রিগেডের প্রতিটি আক্রমণ। শেষ পর্যন্ত ফ্যাবিয়ান রুইজের গোলে ৩০ মিনিটের মাথায় লিড নেয় ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। ডানপ্রান্তে ইয়ামালের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে নীচু ক্রস পাঠান পেদ্রো পোরো। ড্যানি ওলমোর জোরালো শট থিবো কোর্তুয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে বল জালে জড়িয়ে দেন রুইজ (১-০)। গোলের পরও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে কোচ ডে লা ফুয়েন্তের ছেলেরা। ৩৬ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিক কোনোক্রমে ঠেকান কোর্তুয়া। ক্রমে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। ৪১ মিনিটে ডানদিক দিয়ে দারুণ আক্রমণ গড়ে তোলেন কেভিন ডি’ব্রুইন। তাঁর নিখুঁত পাস ধরে স্পেনের বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়ান টিমোথি কাস্তান। তা থেকে দুর্দান্ত হেডে গোলরক্ষক উনাই সিমোনকে পরাস্ত করেন চার্লস ডি কেটলেয়ার (১-১)।
চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের জন্য গোল হজম করল স্পেন। থেমে গেল তাদের রেকর্ড যাত্রা। বিশ্বকাপে ৬৪৯ মিনিট পর গোল খেল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা। যাইহোক, বিরতির পর দুই দলই মরিয়া চেষ্টা চালায় ম্যাচের দখল নেওয়ার। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে খেলা জমে উঠলেও কেউই কাজের কাজ করতে পারছিল না। শেষ পর্যন্ত ৮৮ মিনিটে পরিবর্ত হিসাবে নামা মিকেল মোরিনোর গোলে জয় নিশ্চিত হয় স্পেনের (২-১)। এই গোলের ক্ষেত্রে অবশ্য কুর্তোয়ার পরিবর্তে মাঠে নামা গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের বড় ভুলেই ডোবে বেলজিয়াম।



