বরাক তরঙ্গ, ৮ জুলাই : কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার জোনাইয়ের বিভিন্ন বন্যাকবলিত ও ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেছে। কেন্দ্রীয় যুগ্ম সচিব (ইউটি) প্রবীণ কুমার রায়ের নেতৃত্বে দলটির সদস্যরা বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।
প্রতিনিধি দলটি জোনাই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মাজরবাড়ি আনন্দনগর, চিমেন নদীর প্রবল স্রোতে ভেঙে পড়া রেল সেতু, অরুণ চাপরি, মধুপুর, লেকু নদী, কেমি সেতুসহ বিভিন্ন নদী ও উপনদীর ভাঙনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে।
বন্যাকবলিত অঞ্চল পরিদর্শনের সময় কেন্দ্রীয় যুগ্ম সচিব প্রবীণ কুমার রায়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম পরিচালক (এফসিডি, ডিওই, এমওএফ) মহেশ কুমার, এনআরএসসি-র (NRSC) বিজ্ঞানী ড. এস ভি এস পি শর্মা, ১২ নম্বর লখিমপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রদান বরুয়া, জোনাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ভূবন পেগু, অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ASDMA) প্রকল্প পরিচালক মুক্তারাম ডেকা এবং প্রোটোকল আধিকারিক সৈয়দ সারিক রহমান।
এই প্রসঙ্গে লখিমপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রদান বরুয়া বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নকারী দল আজ ধেমাজি জেলার জোনাই মহকুমায় এসেছে। আমরা ইতিমধ্যে দুটি এলাকা পরিদর্শন করিয়েছি। বুধবারীয়া বাজার আনন্দনগর এলাকা দেখানো হয়েছে। এরপর চিমেন নদী দেখানো হয়েছে। দিখারি নদীর ভাঙনে যেসব ক্ষতি হয়েছে, সেগুলিও দুই দিক থেকেই দেখানো হয়েছে। পরে পুরনো জেলেমেদি হয়ে কেমি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ এবং জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে কতটা জল প্রবাহিত হয়েছে, তাও দেখানো হবে।”
উল্লেখ্য, জোনাইয়ের অসম-অরুণাচল সীমান্তবর্তী এলাকায় টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। এর জেরে একাধিক খরস্রোতা নদী জোনাইয়ের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় কুড়িটিরও বেশি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।



