২৪ জুন : মঙ্গলবার রাতে বস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয়। দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে ঘানার সংগ্রহও ৪ পয়েন্ট, তবে গোল ব্যবধানে তারা দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, একটি করে ম্যাচ খেলা পানামা ও ক্রোয়েশিয়া এখনও কোনো পয়েন্টের দেখা পায়নি।
ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল ঘানা। প্রথমার্ধে প্রায় ৮৮ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখেও কার্যকর কোনো আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে ননি মাদুয়েকে কিছুটা সক্রিয় দেখা গেলেও অপর প্রান্তে অ্যান্থনি গর্ডন ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ।
বিরতির পর আক্রমণে গতি আনতে বুকায়ো সাকা, ইবেরেচি এজে ও মরগান রজার্সকে মাঠে নামান ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। তবে তাতেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি।ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সৃষ্টি হয় বিতর্ক। ঘানার বদলি ফরোয়ার্ড প্রিন্স আডুকেকে বক্সের বাইরে ফাউল করেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। কিন্তু রেফারি উল্টো ইংল্যান্ডের পক্ষেই ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেন। কোনও কার্ড না দেখানোয় ভিএআরও সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারেনি।
শেষদিকে ম্যাচে নাটকীয়তা চরমে পৌঁছে। ৮৬ মিনিটে বুকায়ো সাকার বাঁকানো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন ঘানার গোলরক্ষক আসারে। এর ঠিক এক মিনিট পর রিস জেমসের ক্রস থেকে বদলি খেলোয়াড় নিকো ও’রেইলির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
ফিরে আসা বলে মাত্র সাত গজ দূর থেকে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েও বল পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ফলে শেষ পর্যন্ত কার্লোস কুইরোসের শিষ্যদের দৃঢ় রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড।
এই ড্রয়ের ফলে মূল্যবান এক পয়েন্ট অর্জনের পাশাপাশি ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল ঘানা।



