মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২২ জুন : শ্রীভূমির ঐতিহ্যবাহী রামকৃষ্ণ মিশনে সোমবার সফর করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল। এদিন মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী প্রেমঘনানন্দজি মহারাজের সঙ্গে জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি। মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের সঙ্গে ছিলেন শ্রীভূমি জেলা বিজেপির সভাপতি সঞ্জীব বণিক, পুর কমিশনার ডাঃ দেবতোষ পাল এবং দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। মিশন প্রাঙ্গণে পৌঁছে তিনি ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে স্বামী প্রেমঘনানন্দজি মহারাজের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জেলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন, যুবসমাজকে দক্ষ ও আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষা, মানবসেবা ও সমাজগঠনমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, “শ্রীভূমি রামকৃষ্ণ মিশন কেবল একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মানবসেবা, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার এক অনন্য কেন্দ্র। এখানে এলে মানসিক প্রশান্তি অনুভব করি। ঠাকুরের আশীর্বাদ ও মহারাজদের সান্নিধ্য মানুষকে ইতিবাচক চিন্তাধারার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।”

তিনি আরও বলেন, জেলার উন্নয়নে রামকৃষ্ণ মিশনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবকল্যাণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা প্রশংসনীয়। উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বামী প্রেমঘনানন্দজি মহারাজের মূল্যবান পরামর্শ তিনি সর্বদাই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন বলেও জানান।

মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ক্ষেত্রে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; সমাজসেবামূলক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি। রামকৃষ্ণ মিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা প্রশাসনের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করে তুলতে পারে।



