২২ জুন : সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হওয়ার ‘শাস্তি’তেই কি এনকাউন্টারে প্রাণ দিলেন সমাজকর্মী ভরতভূষণ তিওয়ারি? বিহারের ভোজপুর জেলায় ২৮ বছর বয়সী এই যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। চাপের মুখে পড়ে অবশেষে ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী (CM Samrat Choudhary)।
বিলাউতি গ্রামের বাসিন্দা ভরতভূষণ স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও জনসমস্যার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরার জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৭ জুন ভোজপুর পুলিশের দাবি, ভরতভূষণ বন্দুক হাতে গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন এবং গুলি চালিয়েছেন। এরপরই এসটিএফ অভিযানে নামে। পুলিশের দাবি, আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও ভরত গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে তাঁরা পাল্টা গুলি চালান, যাতে তিনি পায়ে আঘাত পান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে পুলিশের এই বয়ান ঘিরে দানা বেঁধেছে রহস্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশের গুলি চালানোর আগেই ভরতভূষণ নিজের বন্দুক ফেলে দিচ্ছেন। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। তেজস্বী যাদবের (Tejashwi Yadav) অভিযোগ, সরকারের সমালোচনা করার কারণেই পরিকল্পিতভাবে ভরতকে ‘ভুয়ো এনকাউন্টার’-এ খুন করা হয়েছে। এমনকি শাসকদল জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝা এবং বিজেপির একাংশও পুলিশের দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
বিলাউতি গ্রামের বাসিন্দা ভরতভূষণ স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও জনসমস্যার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরার জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৭ জুন ভোজপুর পুলিশের দাবি, ভরতভূষণ বন্দুক হাতে গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন এবং গুলি চালিয়েছেন। এরপরই এসটিএফ অভিযানে নামে। পুলিশের দাবি, আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও ভরত গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে তাঁরা পাল্টা গুলি চালান, যাতে তিনি পায়ে আঘাত পান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে পুলিশের এই বয়ান ঘিরে দানা বেঁধেছে রহস্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশের গুলি চালানোর আগেই ভরতভূষণ নিজের বন্দুক ফেলে দিচ্ছেন। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। তেজস্বী যাদবের (Tejashwi Yadav) অভিযোগ, সরকারের সমালোচনা করার কারণেই পরিকল্পিতভাবে ভরতকে ‘ভুয়ো এনকাউন্টার’-এ খুন করা হয়েছে। এমনকি শাসকদল জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝা এবং বিজেপির একাংশও পুলিশের দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ‘এক্স’ হ্যান্ডলে ঘোষণা করেন, “স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে পাটনা হাই কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ঘটনার তদন্ত হবে।”
একদিকে যখন সরকার বিচারবিভাগীয় তদন্তের আশ্বাস দিচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে ভরতের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, এনকাউন্টারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সরকার আদৌ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে কি না। পুরো ঘটনাটি এখন বিহারের রাজনীতিতে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



