দেরাদুনের পর কোয়েম্বাত্তুর, আত্মঘাতী আরও এক NEET পরীক্ষার্থী

Spread the news

১৮ জুন : মঙ্গলবারই উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে উদ্ধার হয়েছে এক মেধাবী পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ। আগামী ২১ তারিখ নেওয়া হবে বাতিল হওয়া নিট। NEET বাতিল হওয়ায় আত্মঘাতী হন ২৩ বছর বয়সি রিয়া কুমারী থাপা। বুধবার উদ্ধার হয়েছে আরও এক নিট পরীক্ষার্থীর দেহ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম অনু কীর্তনা। ১৯ বছর বয়সি অনু কীর্তনা এর আগে দু’বার নিট পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। আবারও পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের মতে, সম্প্রতি নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার জেরে পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন করায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

বুধবার তাঁর দেহ উদ্ধার হওয়ার খবর পাওয়ার পরে কোয়েম্বাত্তুর বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম। নিট সংক্রান্ত মানসিক চাপের জেরে অনু কীর্তনা আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি তাঁদের। এর মৃত্যুর জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে কোয়েম্বাত্তুর ইএসআই (ESI) হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র সদস্যরা। ওই পরীক্ষার্থীর বাবা সেন্থিল প্রভু কোয়েম্বাটোর জেলা টাসম্যাক (TASMAC) এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি।

প্রশ্ন ফাঁসের জেরে বাতিল করা হয় মেডিক্যালে ভর্তির পরীক্ষা। সেই কারণে নতুন করে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি-কাম-এন্ট্রান্স টেস্ট ((নিট) হবে বলে জানানো হয়। ওই পরীক্ষা বাতিলের পরে আত্মহত্যা করেছেন অনেক পরীক্ষার্থী। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএম-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দেরাদুনের প্যাটেল নগর এলাকার চন্দ্রামণি কলোনি থেকে উদ্ধার হয়  ২৩ বছর বয়সি রিয়া কুমারী থাপার ঝুলন্ত দেহ। রিয়া পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। বরাবরই স্কুলের পরীক্ষায় ফার্স্ট হতেন তিনি। দ্বাদশের বোর্ড পরীক্ষাতেও ৯৭.৬ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি।  রিয়া দু’বার NEET-এ বসেছিলেন। প্রথমবার সফল না হলেও ২০২৬ সালের ৩ মে হওয়া পরীক্ষা নিয়ে তিনি দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।  কিন্তু পরীক্ষা বাতিলে হতাশ হলেও আবার পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন রিয়া।

আর এর পরেই অনু কীর্তনার মৃত্যুতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে DMK-ও। বিক্ষোভকারীরা ‘নিট’ (NEET) ব্যবস্থা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তামিলনাড়ুকে নিট-এর আওতামুক্ত রাখার দাবি নতুন করে তুলেছেন তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *