সোনাইয়ে ১৪ রেফারিকে সম্মাননা দিল ‘খোঁজ শিলচর’

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ১৩ জুন : সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘খোঁজ শিলচর’-এর উদ্যোগে শনিবার সোনাইয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সোনাই রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের ১৪ জন রেফারিকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা জানানো হয়। ক্রীড়া জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রেফারিদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রণধীর ভট্টাচার্য ও ননীবালা ভট্টাচার্য স্মৃতি স্মারক সম্মাননা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। এ সময় ১৪ জন রেফারির হাতে ১৪টি টি-শার্ট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বদর উদ্দিন মজুমদারকে একটি শাল, অনুজ দাস ও ইন্তাজুর মজুমদারকে উত্তরীয় ও চাবির রিং এবং জলিল আহমদ ও মনজুর লস্করকে টি-শার্ট উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। স্মিথ লস্করের জন্মদিন উপলক্ষে এই উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা খেলোয়াড় ও রেফারিদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় রণদীর ভট্টাচার্য ও ননীবালা ভট্টাচার্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১৪ জন রেফারির হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন জাতীয় রেফারি প্রবীর দাস এবং ওডিএস-এর রেফারি সম্পাদক সমর রায়।

নিজের বক্তব্যে সমর রায় খেলাধুলার গুরুত্ব এবং একজন রেফারির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অন্যদিকে প্রবীর দাস ফুটবলের বিকাশ, শরীরচর্চার প্রয়োজনীয়তা এবং খেলাধুলায় রেফারিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি ভবিষ্যতেও ব্যক্তিগতভাবে রেফারিদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতার অংশ হিসেবে রাতুল ভট্টাচার্য তাঁর প্রয়াত মা-বাবার স্মৃতিতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রীতেন ভট্টাচার্য, সীমান্ত ভট্টাচার্য, সুজন দত্ত, অরিজিৎ গুপ্ত, বদরুদ্দিন মজুমদার, জলিল আহমেদ, হৃদয় এনজিও-র সভাপতি গুণজ্যোতি দত্ত, কোষাধ্যক্ষ রাতুল ভট্টাচার্য, সদস্য প্রদীপ পাল, অগ্রণী ক্লাবের সম্পাদক শঙ্কু দাস, নিরুৎপল ধর চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সোনাই রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি টিটু লস্কর ও সম্পাদক আহমেদ তাঁদের বক্তব্যে জানান, সোনাইয়ে এসে কোনও সংগঠন এই প্রথম রেফারিদের এভাবে সম্মানিত করল। এই সম্মান তাঁদের অনুপ্রাণিত করবে এবং ভবিষ্যতেও ‘খোঁজ শিলচর’-এর সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।
সুজন দত্ত ও সীমান্ত ভট্টাচার্যও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। সীমান্ত ভট্টাচার্য খেলাধুলার পাশাপাশি শিক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের শেষে সজল লস্কর সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সহযোগিতার জন্য রাতুল ভট্টাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে উপস্থিত সকলের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *