মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ৯ জুন : অসমের জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পাথারকান্দি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল। মঙ্গলবার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি জনসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ এবং উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিএনআরডি-র কমিশনার ও এসবিএম-জি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কীর্তি জল্লি, পিএইচই বিভাগের সচিব গীতিমণি ফুকন, প্রধান প্রকৌশলী (জল) পল্লব কুমার দাস, প্রধান প্রকৌশলী (স্যানিটেশন) ভাস্কর জ্যোতি শর্মা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (লোয়ার আসাম জোন) রম্যজ্যোতি শর্মাসহ বিভাগের বহু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ রাজ্যের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। নিরাপদ পানীয় জল ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিভাগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।তিনি বলেন, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে রাজ্য সরকার জনসেবাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনমুখী করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পিএইচই বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং আন্তরিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বৈঠকে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প, জনস্বাস্থ্য খাতে চলমান উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া, স্যানিটেশন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল আরও বলেন, “প্রতিটি পরিবারের কাছে নিরাপদ পানীয়জল এবং উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দেওয়া শুধু একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, এটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আমরা চাই আসামের প্রতিটি নাগরিক স্বাস্থ্যকর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পান।তিনি পিএইচই বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও কর্মনিষ্ঠার ফলেই সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আগামী দিনেও একই উদ্যমে কাজ করে একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত আসাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল আশা প্রকাশ করেন যে, বিভাগীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতায় রাজ্যের জনস্বাস্থ্য খাতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে এবং সরকারের উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে।



