মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১২ এপ্রিল : ধর্মীয় আবহে মুখর বাজারিছড়া অষ্ট প্রহর কীর্তনে অংশ নিলেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল।তারই উপস্থিতিতে পাথারকান্দি বিধানসভা বাজারিছড়া এলাকার জনজীবনে আবারও ধ্বনিত হলো ভক্তি, আস্থা ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য সুর। ধর্মীয় আবহে মোড়ানো এক পবিত্র পরিবেশে আজ গড়ে উঠল মানুষের হৃদয়ের গভীর অনুভূতির এক অপূর্ব মিলনমেলা, যা শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—বরং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দু’বারের বিধায়ক, অসম সরকারের মন্ত্রী এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দলের মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু পাল নির্বাচনের পরেও জনগণের সঙ্গে তাঁর অটুট সংযোগ বজায় রেখে চলেছেন। ব্যস্ত রাজনৈতিক সময়সূচির মাঝেও তিনি ঘরে বসে না থেকে প্রতিনিয়ত সাড়া দিচ্ছেন নিজের কেন্দ্রের মানুষের ডাকে। দলীয় কর্মসূচি থেকে শুরু করে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি নজরে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। এই ধারাবাহিকতারই এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে রবিবার বাজারিছড়া অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হলো এক পবিত্র অষ্ট প্রহর কীর্তন। বাজারিছড়া জিপির প্রাক্তন সভানেত্রী যোগাময়া পালের প্রতিনিধি এবং বিজেপির সক্রিয় কর্মী সুচরিত পালের বাসভবনে আয়োজিত এই মহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল নামে। দিনভর চলতে থাকে নাম-সংকীর্তনের মধুর ধ্বনি, যা সমগ্র এলাকাকে ভাসিয়ে তোলে এক অপার্থিব আধ্যাত্মিক আবেশে। ঢোল-করতালের তাল, ভক্তিমূলক সঙ্গীতের সুর এবং ভক্তদের একনিষ্ঠ অংশগ্রহণে সৃষ্টি হয় এক অনন্য পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে মন্ত্রী পালl বলেন, “এমন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সত্যিই ধন্য মনে করছি। অষ্ট প্রহর কীর্তন শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি মানুষের মধ্যে শান্তি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার এক শক্তিশালী মাধ্যম।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান সমাজে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে এবং মানুষকে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক থেকে সমৃদ্ধ করে তোলে। বর্তমান সময়ে যখন সমাজ নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, তখন এই ধরনের ধর্মীয় আয়োজন মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিজেপির কর্মী-সমর্থকসহ বহু ভক্তের উপস্থিতি এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সকলেই ভক্তিমূলক পরিবেশে নিমগ্ন হয়ে কীর্তনের আনন্দ উপভোগ করেন এবং একসঙ্গে মিলিত হয়ে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেন। ধর্মীয় ভক্তি, সামাজিক সংহতি এবং মানবিক মূল্যবোধের এক অপূর্ব সমন্বয়ে এই অষ্ট প্রহর কীর্তন পাথারকান্দির মানুষের মনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই আয়োজন শুধু একটি দিনের অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি সমাজে ঐক্য, ভালোবাসা ও শান্তির বীজ বপন করে গেল।
শেষে, এই পবিত্র অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার মানুষের মধ্যে যে সৌহার্দ্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চার হয়েছে, তা ভবিষ্যতে সমাজকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করে তুলবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল।



