২ এপ্রিল : বুম বিকট শব্দ মুহূর্তে চারিদিকে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়েছে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করছে মার্কিন সেনারা এমন অসংখ্য ভিডিওতে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোতে। সম্প্রতি টি ও আই প্রকাশ করেছে একটি ভিডিও যেখানে দেখা যায় মার্কিন সেনাদের একটি ঘাঁটিতে ইরানের ছোড়া একটি বোমা আঘাত আনে, আর তাতেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ঘাঁটিটি।
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে ইরান তাদের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে। ইরানের এই পাল্টা হামলায় অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৭০০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন।
ইরানি বাহিনী ইরাক, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন এবং সৌদি আরবের অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালায়। এর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কাতারের আল-উদাইদ ঘাঁটি অন্যতম। কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের খুব কাছে হওয়ায় সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে ইরানের নিখুঁত হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর দুইটি ‘E-3 Sentry’ (AWACS) বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এই বিমানটিকে মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘উড়ন্ত রাডার’ বলা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ইরাক-জর্ডান সীমান্তে একাধিক KC-135 রিফুয়েলিং বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। যার আনুমানিক মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার।
ইরান দাবি করেছে যে, তারা তাদের সাশ্রয়ী ‘শাহেদ-১৩৬’ (Shahed-136) ড্রোন ব্যবহার করে কয়েকশ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন সরঞ্জাম ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। মাত্র ২০,০০০ ডলার মূল্যের এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিয়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তছনছ ৫টি ঘাঁটি: ধ্বংস কয়েক বিলিয়ন ডলারের একাধিক বোমারু বিমান, হতাহত শত শত



