রাজীব মজুমদার, ধলাই।
বরাক তরঙ্গ, ২১ মার্চ : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে ধলাইয়ের রাজনীতিতে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। টিকিট বঞ্চিত হয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা দেওয়া বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকবেন, নাকি সরে দাঁড়াবেন—তা নিয়েই সরগরম রাজনৈতিক মহল।
ভারতীয় জনতা পার্টি ধলাই আসনে প্রার্থী করেছে অমিয়কান্তি দাসকে। টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ নীহাররঞ্জন দাস সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং ২৩ মার্চ মনোনয়ন জমা দেবেন। এর পর থেকেই এলাকায় শুরু হয় তীব্র রাজনৈতিক চর্চা।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার তাঁর পানিভরা এলাকার বাসভবনে পৌঁছান রাজ্যের মন্ত্রী জয়ন্ত মল্লা বরুয়া, বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী কৌশিক রায় এবং বিজেপির অসম প্রদেশ সহ-প্রভারী সুনীল শর্মা। সেখানে প্রায় একান্ত বৈঠকে তাঁরা বিধায়কের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। সূত্রের খবর, বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।
বৈঠক শেষে নীহাররঞ্জন দাস জানান, দলের পক্ষ থেকে তাঁকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে তিনি তড়িঘড়ি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত অবস্থান জানাবেন।

এদিকে, রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে, শেষ পর্যন্ত তিনি হয়তো নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।
উল্লেখ্য, শিলচর লোকসভা আসনের সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য নির্বাচিত হওয়ার পর শূন্য হওয়া ধলাই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে প্রায় ৯ হাজারের বেশি ভোটে জয়লাভ করে বিধায়ক হন নীহাররঞ্জন দাস। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এলাকায় জনসংযোগ ও উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।




