মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২০ আগস্ট : মেঘালয়ের বর্নিহাট এলাকায় অসমের নম্বরপ্লেটযুক্ত গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় দক্ষিণ করিমগঞ্জের বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরীকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরী মেঘালয়ের বর্নিহাট দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর গাড়িতে থাকা অসমের নম্বরপ্লেট নজরে আসে। এরপর তাঁকে সেখান থেকে ফিরে যেতে বলা হয় বলে অভিযোগ। তবে কারা তাঁকে বাধা দিয়েছিল, কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে এবং এর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিধায়ক বরাক উপত্যকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আপাতত বর্নিহাটের পরিবর্তে হাফলং হয়ে যাতায়াত করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।
বিধায়কের এই বক্তব্যের পর বরাক উপত্যকায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিদিন বর্নিহাট হয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে, পরিস্থিতি যাতে আর উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য সকল পক্ষকে শান্তি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। আসাম ও মেঘালয় দু’টি প্রতিবেশী রাজ্য। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেন দুই রাজ্যের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা বিভাজনের পরিবেশ তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসম-মেঘালয়ের দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরী।



