বরাক তরঙ্গ, ১৭ নভেম্বর : কাছাড়ের বালিঘাটের সড়ক দুর্ঘটনায় বাবার সামনেই মৃত্যু ঘটল মেয়ের এমন এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল এবার রঙ্গিয়ায়। গুয়াহাটি অভিমুখে ছুটে চলা একটি বিলাসবহুল গাড়ি দু’জন স্কুটি আরোহীকে ধাক্কা দিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলে দেয়। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয় রঙ্গিয়ার ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের বালাগাঁও এলাকায়।
ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান রঙ্গিয়ার বনগাঁওয়ের বাসিন্দা, ছাত্রী মৌসুমি রহমান। অপরদিকে তার বাবা মুকুতর রহমান গুরুতরভাবে আহত হয়ে সঙ্কটজনক অবস্থায় রঙ্গিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত স্কুটির নম্বর AS-01BE-4546 বলে জানা গেছে।
জানা যায়, হোজাইতে অধ্যয়নরত কনিষ্ঠ কন্যার খোঁজ নিতে বনগাঁওয়ের বাড়ি থেকে স্কুটিতে রঙ্গিয়া রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন বাবা ও মেয়ে। ঠিক সেই সময়ই ঘটে যায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা।
বালাগাঁও এলাকায় জাতীয় সড়কের ডিভাইডার পেরোবার সময় একটি অজ্ঞাত দ্রুতগতির গাড়ি প্রবল বেগে এসে তাদের ধাক্কা মারে এবং প্রায় ১০০ ফুট দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।
দুর্ঘটনায় মৌসুমি রহমান ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে রঙ্গিয়া ট্রাফিক পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, ১২ নভেম্বর কাছাড়ের বালিঘাট এলাকায় এমন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন বছর ২১ এর নাজিফা ফেরদৌস বড়ভূইয়া নামে এক ছাত্রী। লরির ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু ঘটেছিল চান্দপুর চতুর্থ খণ্ডের বাসিন্দা তথা কলেজ ছাত্রী নাজিফার। নাজিফা তার বাবা নাজিম উদ্দিন বড়ভূইয়ার সঙ্গে স্কুটিতে করে শিলচর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি ট্যাঙ্কার তাদের স্কুটিতে সজোরে ধাক্কায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল।
ছবি সৌজন্যে news18 assam.



