ইরানের স্থল অবরোধে নতুন পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের

Spread the news

১ আগস্ট : ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে সম্ভাব্য স্থল অবরোধের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ মার্কিন ও ইজরায়েলি সূত্রের বরাতে বলা হয়, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ বাড়াতে দেশটির প্রধান স্থল সীমান্তগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ বা কার্যত অবরুদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করা হয়েছে। পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সহযোগিতায় ইরানের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করা।

প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, ইরানে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার প্রধান স্থলপথগুলো সীমিত করা গেলে দেশটির অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হবে। একই প্রতিবেদনে অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল শন ম্যাকফারল্যান্ড বলেন, এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে না। তবে এটি সফল হলে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

দ্য টেলিগ্রাফ আরও জানিয়েছে, আলোচনায় শুধু স্থল অবরোধ নয়, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার, বিদ্যমান নৌ অবরোধ বজায় রাখা এবং প্রয়োজন হলে নতুন সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের মতো বিভিন্ন বিকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এসব প্রস্তাব এখনো নীতিগত আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং কোনও সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা ইজরায়েল—কোনো দেশই এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য স্থল অবরোধ পরিকল্পনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের এই সম্ভাব্য কৌশল ভবিষ্যতে আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে।
খবর : দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা ডিজিটাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *