১৮ মে : ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। ইরানকে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সময় ফুরিয়ে আসছে ইরান। যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নাও। নাহলে তাদের আর কোনো কিছু্ই থাকবে না।’ আর ইরান বলছে নতুন করে কোনও সামরিক আগ্রাসন বা উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্রকে “বিধ্বংসী ও মারাত্মক” পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
ইরানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নাও, নাহলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।”
জানা গেছে, রবিবার বেনজামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপের ঠিক আগে এই বার্তা দেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইরানের গণমাধ্যমের দাবি, চলমান উত্তেজনা নিরসনে তেহরান সম্প্রতি যে প্রস্তাব দিয়েছে, তার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কার্যকর ছাড় দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এ দিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি নতুন সামরিক অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তবে তার জবাব হবে আরও কঠোর ও অভাবনীয়। রবিবার তেহরানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেকারচি। তিনি মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক হুমকি ও বক্তব্যকে “অবাস্তব” এবং “বিভ্রান্তিকর” বলে আখ্যা দেন।
শেকারচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করলে তার ভয়াবহ মাশুল গুনতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। তার ভাষায়, “ওয়াশিংটনকে এবার সম্পূর্ণ নতুন ও অভাবনীয় প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে মার্কিন বাহিনী ও তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে। এ জন্য ইরান ইতোমধ্যেই বিশেষ সামরিক কৌশল প্রস্তুত রেখেছে বলেও জানান তিনি। প্রয়োজন হলে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে সতর্ক করেন এই ইরানি জেনারেল।



