পুজোমণ্ডপে কাটা হচ্ছে বিদ্যুৎ সংযোগ! দিল্লিতে ‘বাঙালি হেনস্তা’ নিয়ে সরব আপ

Spread the news

১৯ অক্টোবর : দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কের (CR Park) দুর্গাপুজো ঘিরে শুরু বিতর্ক। পুজোর মণ্ডপ ও লাউডস্পিকার ব্যবহারের সময়সীমা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, ওই এলাকার পুজোর মণ্ডপের সামনে বিশাল সংখ্যক বাহিনী নিয়ে হাজির হয়েছিল দিল্লি পুলিশ ও সিআরপিএফ। পুজো উদ্যোক্তা এবং দর্শনার্থীদের হেনস্থা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে একাধিক ব্যক্তি X হ্যান্ডলে পোস্ট করেন। তার পরে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে দিল্লির আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ করেছে দিল্লি পুলিশ।

দুর্গাপুজোর সময় বাঙালিদের হেনস্তা করছে পুলিশ! বিস্ফোরক অভিযোগ আনল আম আদমি পার্টি। এক্স হ্যান্ডেলে একগুচ্ছ পোস্ট করে আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, দিল্লির সিআর পার্কের দুর্গাপুজো এবং তার সঙ্গে যুক্ত থাকা বাঙালিদের উপর হেনস্তা করছে দিল্লি পুলিশ। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, প্যান্ডেলে ভাঙচুর-একাধিক অভিযোগ এনেছেন সিআর পার্ক এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ। উল্লেখ করেছেন চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনাও।

এক্স হ্যান্ডেলে সৌরভ লিখেছেন, ‘দিল্লির বাঙালি এবং সিআর পার্কের উপর বেনজিরভাবে হেনস্তা চালাচ্ছে দিল্লির পুলিশ আধিকারিকরা। যেখানে দিল্লিতে সারাদিন সারারাত দোকান খোলা থাকে, মাঝরাত পেরিয়েও রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠান চলে। গতবছর পর্যন্তও রাত ১২টা অবধি দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে মাইক বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার রাত দশটার পরে সব বন্ধ করা হচ্ছে। আমি জানতে চাই, বাঙালিদের সঙ্গে এমন বৈমাতৃসুলভ আচরণ কেন?”

এখানেই না থেমে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন সৌরভ। তাঁর কথায়, বি ব্লকের পুজো প্যান্ডেলে ঢুকে রীতিমতো ভাঙচুর চালিয়েছে দিল্লি পুলিশের কনস্টেবলরা। মণ্ডপের নানা জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কেটে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। সৌরভের প্রশ্ন, দিল্লির সবচেয়ে শিক্ষিত এবং ভদ্র সমাজের মধ্যে অন্যতম সিআর পার্কের বাঙালিরা। তাহলে তাঁদের প্রতি এমন ব্যবহার কেন? চোরবাগানের উদাহরণ টেনে সৌরভের সতর্কবাণী, পুজোমণ্ডপ রাত ১২টার বদলে ১০টায় বন্ধ করে দিলে একসঙ্গে বহু মানুষের ভিড় হবে। সেখান থেকে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

যদিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিশ যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের এক্স হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশানুসারে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতেই কাজ করছে পুলিশ। যারা নিয়ম না মেনে জোরে মাইক বাজাছিল, সেটাই আটকানো হয়েছে। যদিও এই পোস্টের পর সৌরভের কটাক্ষ, দিল্লি পুলিশের কথায় কোনও ভিত্তি নেই। যদিও নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, পুজোমণ্ডপে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে তারা সমস্যা তৈরি করছে। আরেক অংশের মতে, বাহিনী রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *