আজমল সুপার-৪০-এর সংবর্ধনায় সম্মানিত নিট-এ কৃতী শিক্ষার্থীরা, বদরপুরে উৎসবের আবহ

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২ আগস্ট :
আজমল সুপার-৪০-এর উদ্যোগে চলতি বছরের নিট (NEET) পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান রবিবার বদরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের ফুল, সম্মাননাপত্র ও স্মারক প্রদান করে সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজমল ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি, এআইইউডিএফ সভাপতি, বিন্নাকান্দি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ও প্রাক্তন সাংসদ বদর উদ্দিন আজমল। তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবনের লক্ষ্য অর্জনের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, সাফল্যের কোনও শর্টকাট নেই। নিয়মিত পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, সঠিক পরিকল্পনা এবং দক্ষ দিকনির্দেশনাই শিক্ষার্থীদের সাফল্যের চাবিকাঠি। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, আজমল সুপার-৪০ শুধু একটি কোচিং প্রতিষ্ঠান নয়, বরং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের একটি কার্যকর উদ্যোগ।

আজমল ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর ডা. খসরুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য কেবল পাঠদান নয়, বরং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করা। তিনি জানান, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা যাতে কোনও শিক্ষার্থীর অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। মানসম্মত প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর দিকনির্দেশনা এবং নিয়মিত অনুশীলনের ফলেই আজমল সুপার-৪০-এর শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর নিট-সহ বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজমল সুপার-৪০-এর প্রজেক্ট হেড আব্দুল কাদির, বরাক ভ্যালি সিমেন্ট লিমিটেডের সিইও মুখেশ আগরওয়াল, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আবুল হোসেন ও ডা. আজমল হোসেন, এনসি কলেজের অধ্যক্ষ ড. প্রার্থ সারথী দাস, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ড. মুর্তজা হোসেন, অধ্যক্ষ ড. মঞ্জুর হাসান বড়ভূইয়া, অ্যাকাডেমিক ইনচার্জ বাহারুল ইসলামসহ শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, আজমল সুপার-৪০ শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করে না, তাদের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা ও সমাজসেবার মূল্যবোধও গড়ে তোলে। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে জাতীয় স্তরের পরীক্ষায় সফল করে দেশের সেবায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *