প্রশাসনের উদ্যোগে স্বস্থানে সংস্থাপন নেহেরুর মূর্তি পয়লাপুরে

Spread the news

কেএ লস্কর, লক্ষীপুর।
বরাক তরঙ্গ, ২৫ ফেব্রুয়ারি : লক্ষীপুর সমজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার বিকেলে স্বস্থানে সংস্থাপন করা হয় জহরলাল নেহেরুর মূর্তি। প্রশাসনিক তৎপরতায় মূর্তি পুনরায় বসানো হলেও অসন্তুষ্ট কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ সহ বুদ্ধিজীবী মহল। প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রদীপকুমার দে বলেন, মূর্তি পুনরায় বসানো হলেও বিষয়টি শেষ নয়। এই জঘন্য কাণ্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িতদের গ্রেফতার করতেই হবে। কোন এক বড় মাথা এই জঘন্য কাণ্ডের নায়ক বলে মনে করেন তিনি। যার অঙ্গুলি হেলনে এই জঘন্য ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তাকেও আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ।

শীঘ্রই অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১১ টায় পয়লাপুলে এক প্রতিবাদী ধরনা কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে লক্ষীপুর, রাজাবাজার ও বিন্নাকান্দি ব্লক কংগ্রেস কমিটি। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মূর্তি ভাঙচুর করার ঘটনা নিয়ে সরব জেলা কংগ্রেস। ঘটনার পর ভাঙচুরের প্রমাণ সহ এজাহার দায়ের করা হয়েছে লক্ষীপুর থানায়। প্রমাণ হাতে পেয়েও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এনিয়ে চরম ক্ষুব্ধ বিভিন্ন মহলের মানুষ। এরই মধ্যে বুধবার বিকেলে লক্ষীপুর সমজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মূর্তি পুনরায় সংস্থাপন করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ভাঙাচোরা মূর্তি স্বস্থানে খাড়া করে রাখা হয়েছে। সমজেলা কমিশনার এই মূর্তি পুনরায় সংস্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজে হাত দিয়েছেন। তবে কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের দাবি মূর্তি পুনরায় বসানো হচ্ছে ভালো কথা কিন্তু অপরাধীদের ছাড় দেওয়া মেনে নেওয়া যাবেনা। যারা এই জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছে তাদেরকে গ্রেফতার করে আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে অন্যথায় প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, সোমবার রাতে এক্সেকেবেটর দিয়ে মূর্তি উপড়ে ফেলে দুষ্কৃতীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *