
৮ নভেম্বর : দীপাবলীর সকালেও দিল্লিতে অব্যাহত বিষাক্ত বাতাসের দাপট। রবিবার ভোরে রাজধানীর বায়ু মান সূচক (AQI) পৌঁছেছে ৩৮২-তে, যা ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ের। শহরের একাধিক এলাকায় পরিস্থিতি ‘অতি ভয়ানক’ আকার নিয়েছে। দিল্লির বেশ কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যেই AQI ৪০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লি-NCR জুড়ে ইতিমধ্যেই গ্র্যাপ-৩ (GRAP Stage III) বিধিনিষেধ জারি করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে স্কুলগুলিতে চালু হয়েছে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে হাইব্রিড ক্লাস। এ ছাড়াও, রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রেও কড়া নিয়ম চালু করেছে ট্র্যাফিক পুলিশ।

রবিবার ভোরে দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় বাতাসের মান মারাত্মক খারাপ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রোহিণীতে, যেখানে AQI ৪৪৪। এর পরেই রয়েছে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ৪৩১। এ ছাড়া ভোর ৫টা পর্যন্ত আলিপুর ৪১৮ (অতি ভয়ানক), চাঁদনি চক ৪১৩ (অতি ভয়ানক), বিবেক বিহার ৪১৪ (অতি ভয়ানক), নারেলা ৪০২ (অতি ভয়ানক), আয়া নগর ৩৭১ (খুব খারাপ), বুরারি ৩৭০ (খুব খারাপ), ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর ৩৫০ (খুব খারাপ), আনন্দ বিহার ৩২৮ (খুব খারাপ)।

দূষণের জেরে খুদে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি প্রশাসন। ৭ নভেম্বর থেকে সরকারি, বেসরকারি, সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত এবং পুরসভা (MCD, NDMC ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড) পরিচালিত সব স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত হাইব্রিড ক্লাস চালু হয়েছে।

গ্র্যাপ-৩ কার্যকরের পরেই ট্র্যাফিক পুলিশ রাস্তায় গাড়ি চলাচলের একাধিক বিধিনিষেধ প্রকাশ করেছে। বৈধ পিইউসি না থাকলে কোনও গাড়িই চালানো যাবে না দিল্লিতে। একইসঙ্গে বিনা প্রয়োজনে গাড়ি বাইরে না বের করা, গাড়ির ইঞ্জিন অকারণে চালু না রাখা এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা কার-পুলিং ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়াও যে কোনও প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য জরুরি হেল্পলাইন ১১২ এবং ট্র্যাফিক পুলিশ হেল্পলাইন ১০৯৫ চালু করা হয়েছে।



