কাদার স্তূপে বন্ধ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ পথ, আটকে থাকা শত শত  শ্রমিকের বাঁচা-মরার লড়াই ঘিরে চরম উৎকণ্ঠা 

Spread the news

৩১ আগস্ট : ভয়াবহ হড়পা বান ও ধসের পর চার দিন অতিক্রান্ত হতে চললেও নেপালের ধ্বংসস্তূপের চিত্র ক্রমেই আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে ঠিক কতজন শ্রমিক আটকে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয় । তবে প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ন’টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে প্রায় ৯০০ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন। রবিবার বিকেল পর্যন্ত নেপালের বিপর্যস্ত এলাকাগুলি থেকে মোট ৭৮১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ অন্তত ২৫০২।

নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় ত্রিশূলী নদীর ওপর অবস্থিত ন’টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি ছিল নির্মীয়মাণ। হড়পা বানের জেরে প্রকাণ্ড কাদামাটির স্তূপে ঢেকে যায় সুড়ঙ্গ মুখগুলি। উদ্ধারকারী দল ও নেপাল সেনার যৌথ প্রচেষ্টায় সাড়ে তিনশোর কিছু বেশি শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় বের করা সম্ভব হলেও এখনও অন্তত ৫৩৭ জন শ্রমিকের কোনো খোঁজ মেলেনি। সময় বাড়ার সাথে সাথে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে আসছে। কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের গভীরতা এতটাই বেশি যে অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করেও ভিতরের পরিস্থিতি চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।

নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় ত্রিশূলী নদীর ওপর অবস্থিত ন’টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি ছিল নির্মীয়মাণ। হড়পা বানের জেরে প্রকাণ্ড কাদামাটির স্তূপে ঢেকে যায় সুড়ঙ্গ মুখগুলি। উদ্ধারকারী দল ও নেপাল সেনার যৌথ প্রচেষ্টায় সাড়ে তিনশোর কিছু বেশি শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় বের করা সম্ভব হলেও এখনও অন্তত ৫৩৭ জন শ্রমিকের কোনো খোঁজ মেলেনি। সময় বাড়ার সাথে সাথে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে আসছে। কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের গভীরতা এতটাই বেশি যে অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করেও ভিতরের পরিস্থিতি চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *