বরাক তরঙ্গ, ২৮ আগস্ট : শিলচরের বহিষ্কৃত বিজেপি যুবনেতা তথা সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ দেবকে সারা রাত সদর থানায় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে পুলিশ মুক্তি দেয়। পরিবারের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে থানায় পৌঁছানোর পর দীর্ঘ সময় তাঁকে থানায় বসিয়ে রাখা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৬ আগস্ট শিলচর সদর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা মোবাইল ফোনে প্রসেনজিৎ দেবকে থানায় আসতে বলেন। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ২৭ আগস্ট দুপুরের দিকে তিনি সদর থানায় পৌঁছান। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁকে থানা থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।
প্রসেনজিৎ দেবের মা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার ফোন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ছেলে থানায় যান। কিন্তু সারা রাত থানায় থাকার পরও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। শুক্রবার সকালে তাঁকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হন প্রসেনজিৎ দেব। এর আগে তিনি দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বহিষ্কারের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন পোস্টে শাসক দলের নানা বিষয় ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন জ্বলন্ত সমস্যা ও জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরতেন তিনি।
এদিকে, ঠিক কী কারণে তাঁকে থানায় ডেকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে থানায় রাখা হয়েছিল। ঘটনা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি।



