১৩ আগস্ট : গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (Former TMC MLA) নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh Arrested)। আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এনিয়ে নির্মল ঘোষ সহ তিনজনের বিরুদ্ধে খড়দহ থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের (FIR) করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা। নতুন করে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকে ওডিশায় (Odisha) গা-ঢাকা দিয়েছিলেন নির্মল ঘোষ। তবে বৃহস্পতিবার পুরীর একটি হোটেল থেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট তাঁকে পাকড়াও করে।
গত সোমবার আরজি করের নির্যাতিতার বাবা খড়দহ থানায় নির্মল ঘোষ, স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয় তদন্ত। মামলা দায়ের হতেই পুলিশের নজর এড়াতে নতুন সিমকার্ড ব্যবহার করে ওডিশায় পালিয়ে যান নির্মল। তবে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে পুরী লাগোয়া একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে কলকাতায় আনার জন্য আদালতে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করা হচ্ছে।
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট মর্মান্তিক ঘটনার পর পরিবারের উপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছিল। অন্যান্য পরিজনদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ না দিয়েই দ্রুত দেহ শ্মশানে নিয়ে যেতে চাপ সৃষ্টি করেন অভিযুক্তরা। এমনকি, নাটাগড় কদমতলা শ্মশানঘাটে অন্যান্য দেহ লাইনে থাকা সত্ত্বেও সেগুলিকে টপকে তড়িঘড়ি সৎকার সম্পন্ন করা হয় এবং শ্মশানের নির্ধারিত খরচও মকুব করে দেওয়া হয়।
সোমবার আরজি করের নির্যাতিতার বাবা খড়দহ থানায় নির্মল ঘোষ, স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয় তদন্ত। মামলা দায়ের হতেই পুলিশের নজর এড়াতে নতুন সিমকার্ড ব্যবহার করে ওডিশায় পালিয়ে যান নির্মল। তবে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে পুরী লাগোয়া একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে কলকাতায় আনার জন্য আদালতে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করা হচ্ছে।



