মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২৩ জুলাই : অসম সরকারের ফি মকুব প্রকল্প থেকে কোনও যোগ্য শিক্ষার্থী যাতে বঞ্চিত না হন এবং আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল প্রকাশে অসঙ্গতি, ব্যাকলগ ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত জটিলতার দ্রুত সমাধান করা হয়—এই দাবিতে বৃহস্পতিবার অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর চান্দখিরা শাখা স্মারকপত্র প্রদান করে। পাথারকান্দি সার্কল অফিসারের মাধ্যমে শ্রীভূমি জেলার জেলা আয়ুক্তের মারফত স্মারকপত্রটি শিলচরের আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। এদিন সকাল প্রায় ১১টায় এবিভিপির একটি প্রতিনিধি দল পাথারকান্দি সার্কেল অফিসে গিয়ে সার্কেল অফিসার অদিতি নুনিসার হাতে স্মারকপত্র তুলে দেয়।
স্মারকপত্রে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে একাধিক অসঙ্গতি ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী অযথা ব্যাকলগের শিকার হচ্ছেন। ফলাফলে বিভ্রান্তি, নম্বর সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এবিভিপির দাবি, ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ও ব্যাকলগের কারণে বহু শিক্ষার্থী আসাম সরকারের ফি মকুব প্রকল্পের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে এতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যাগুলির স্থায়ী সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় এবিভিপি বরাবরই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। পড়ুয়াদের বিভিন্ন সমস্যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে দ্রুত সমাধানের দাবি জানানো সংগঠনের অন্যতম দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।
স্মারকপত্র প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এবিভিপি চান্দখিরা শাখার সম্পাদক শ্যাম কুমার ত্রিবেদী, সহ-সম্পাদক জয়দীপ গোয়ালা, বাসন্তী রবিদাস, রমেশ গোয়ালা, ঋতুপর্ণা পোলাই, প্রীতম তিওয়ারি, রোহিত গোয়ালা, বিকাশ কানু, প্রিয়ঙ্কা গুপ্ত, প্রদীপ দেবনাথ-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।



