১৬ জুলাই : সম্ভবত চলতি বছরের শেষে কিংবা নতুন বছরের শুরুতেই ইসরোর ‘গগনযান’ উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। মহাকাশে চার ভারতীয় নভোচর পাঠানোর এই অভিযান ঘিরে প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে, সেই সময়ে গণইস্তফা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায়! গত কয়েক মাসে ইসরো থেকে অন্তত ১০০ জন বিজ্ঞানী ইস্তফা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় সরকার।
গত ১৪ জুলাই কেন্দ্রীয় মহাকাশ বিভাগ একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। তাতে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, গগনযানের মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযান বা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত কোনও প্রকল্পে যুক্ত থাকা প্রথম সারির (গ্রেড) কোনও বিজ্ঞানী ইস্তফা করতে চাইলে বা স্বেচ্ছাবসর নিতে চাইলে, তা সাধারণ রুটিন প্রশাসনিক কাজ হিসেবে দেখা হবে না। এত দিন ইসরোর বিভিন্ন সেন্টারের ডিরেক্টররাই বিজ্ঞানীদের ইস্তফা গ্রহণ করতে পারতেন। নয়া নির্দেশিকা তাঁদের সেই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ বার থেকে কোনও বিজ্ঞানী ইস্তফা দিতে চাইলে এ বিষয়ে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় মহাকাশ বিভাগ।
যদিও কেন ইস্তফার হিড়িক, তা নিয়ে অবশ্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি ইসরো বা কেন্দ্রীয় সরকার। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন নতুন বেসরকারি সংস্থা প্রবেশ করছে। তারাই ইসরোর বিজ্ঞানীদের অনেক বেশি টাকার চাকরি, পদোন্নতি এবং স্বাধীনতা দিতে চাইছে। সম্ভবত এ সবেই প্রলুব্ধ হয়ে ইসরো ছাড়ছেন বড় বড় বিজ্ঞানীরা। অনেকের মত, এতে গগনযানের মতো অভিযান পিছিয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কা থেকেই এ বার হস্তক্ষেপ করল কেন্দ্র।



