২৭ জুন : ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে আহত হয়েছেন অন্তত ৩ হাজার ৩৬০ জন। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করছেন অসংখ্য পরিবার। রাজধানী কারাকাসসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে। ফলে আহতদের বিভিন্ন অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শত শত উদ্ধারকর্মী ইতোমধ্যে ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছেন। আরও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল দেশটিতে যোগ দিচ্ছে।
গত বুধবার কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আঘাত হানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর মধ্যে দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫, যা গত এক শতাব্দীতে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য, রাজধানীর উত্তরে অবস্থিত লা গুয়াইরা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই এলাকায় দেশের দুটি প্রধান সমুদ্রবন্দরের একটি এবং সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে জাতীয় পরিষদের প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া অন্তত ১৭২ জন এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শুধু লা গুয়াইরা অঞ্চল থেকেই অন্তত ২৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, হোর্হে রদ্রিগেজ দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ভাই।
অন্যদিকে, টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, বহু মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা এই বিপর্যয়ের মধ্যেও স্বস্তির খবর। তার ভাষায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের আবার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য বড় আনন্দের। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক দুটি ভূমিকম্পের পর থেকে দেশজুড়ে মোট ২১৪টি আফটারশক বা পরাঘাত অনুভূত



