বরাক তরঙ্গ, ১৩ জুন : যোরহাটের ররৈয়া বিমানঘাঁটিতে শনিবার সকালে সংঘটিত ভারতীয় বায়ুসেনার একটি AN-32 পরিবহণ বিমানের দুর্ঘটনায় পাঁচজন বায়ুসেনা কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বায়ুসেনা মহলে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই উচ্চস্তরীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহত বায়ুসেনা কর্মকর্তারা হলেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীর বায়ু খেমারন কুমাওয়াত এবং দানিশ আলম।
ভারতীয় বায়ুসেনা নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ বায়ুসেনা জানিয়েছে, “আজ যোরহাটে অবতরণের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার একটি AN-32 বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে একটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে।”
অসামরিক বিমান পরিবহণ মহাপরিদপ্তরের (DGCA) প্রাক্তন ফ্লাইট অপারেশনস পরিদর্শক প্রশান্ত ধল্লা ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ভারতীয় বায়ুসেনায় বহুল ব্যবহৃত AN-32 বিমান মূলত মালপত্র পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত হয়। যোরহাট বিমানঘাঁটির নিকটে দুর্ঘটনাটি ঘটায় এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।
এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ধল্লা বলেন, “সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টি ও নিম্ন উচ্চতায় মেঘ থাকার খবর পাওয়া গিয়েছিল। বিমানটি লক্ষ্যচ্যুত হতে পারে, আবার কারিগরি ত্রুটিও এর কারণ হতে পারে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ।”
উল্লেখ্য, শনিবার সকালেই ভারতীয় বায়ুসেনার AN-32 পরিবহণ বিমানটি যোরহাট সেনা বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়। বায়ুসেনার কর্মকর্তা কর্নেল অথুল শ্রীধরণ জানান, “ভারতীয় বায়ুসেনার একটি এন্টোনভ-৩২ (AN-32) পরিবহণ বিমান শনিবার সকালে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে।”



