৬ জুন : পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় প্রবেশের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টি বিবেচনা করেছিলেন। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন বহরমপুরের বর্তমান সাংসদ ইউসুফ পাঠান।
একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহরমপুর থেকে নির্বাচিত তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানকে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যাতে সেখানে উপনির্বাচনের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তবে ইউসুফ পাঠান এই প্রস্তাবে সম্মত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির মাধ্যমে ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ইউসুফ পাঠান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে বহরমপুরের ভোটাররা তাকে আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে নির্বাচিত করেছেন। সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে তিনি মেয়াদের মাঝপথে পদত্যাগ করতে রাজি নন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। তিনি কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে ৮৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
তবে বহরমপুর কেন্দ্র নিয়ে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন এবং তাতে উল্লিখিত দাবিগুলির বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইউসুফ পাঠান বা সৌরভ গাঙ্গুলির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চললেও এর সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।



