২১ মে : বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে পুনর্নির্বাচন (Falta Assembly Re-Poll)। গত ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) গোটা কেন্দ্রের ভোট বাতিল ঘোষণা করেছিল। সেই নির্দেশ মেনেই আজ নতুন করে ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে ফলতার প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ভোটারের।
সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। মোট ২৮৫টি বুথেই ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে (Tight security)। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি বুথের ভেতরে ও বাইরে পাহারায় থাকবে তারা।
ভোটের আগের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর আজ চিত্রটা অনেকটাই অন্যরকম। বিশেষ করে যে বুথগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, তাঁরা ভয়ে ভোট দিতে পারতেন না, সেখানে আজ সকাল থেকেই উৎসাহী জনতার দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে। ভোটারদের চোখেমুখে স্বস্তির ছাপ স্পষ্ট। এদিনের ভোটে মূল লড়াই মূলত বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা এবং সিপিএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুড়মির মধ্যে। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন আব্দুর রজ্জাক। তবে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান শেষ মুহূর্তে ভোটের ময়দান থেকে সরে আসায় লড়াইয়ের সমীকরণ খানিকটা বদলেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণে ইভিএমে টেপ লাগানো, বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট এবং সিসিটিভি রেকর্ডিং না থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। বহু জায়গায় রাজনৈতিক কর্মীদের বুথের ভেতরে অবৈধ উপস্থিতিও নজরে এসেছিল। সেই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কমিশনের এই বেনজির সিদ্ধান্ত।
নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতে আজ ফলতা জুড়ে কার্যত উৎসবের মেজাজ। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটদান নিশ্চিত করতে প্রশাসন কোনও খামতি রাখেনি। এদিন নেওয়া ভোটের গণনা হবে আগামী ২৪ মে। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে বড় চ্যা



