ট্রাম্প-শি ঐতিহাসিক বৈঠক: ইরান যুদ্ধের সমাধানে কি এখন ভরসা চিন?

Spread the news

১৪ মে : বিশ্ব রাজনীতির দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বেইজিংয়ে। মুখোমুখি হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে এবারের বৈঠক শুধুমাত্র কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আন্তর্জাতিক সংকটের আবহেই বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ—দুই ক্ষেত্রেই চাপে রয়েছেন ট্রাম্প। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে তার জনপ্রিয়তা কমছে, পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চেও সমালোচনার মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন। এই পরিস্থিতিতে ইরান সংকট নিরসনে চিনের সহায়তা চাইতে পারেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক মাস আগে এই সম্মেলনের পরিকল্পনা করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে মার্কিন প্রশাসনের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। অন্যদিকে, চিন এই পরিস্থিতিকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে বিশ্বশান্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

জানা গেছে, বৈঠকে ইরান যুদ্ধ ছাড়াও বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং তাইওয়ান ইস্যু গুরুত্ব পেতে চলেছে। ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে, চিন তাদের কূটনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাক। একইসঙ্গে মার্কিন প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক স্বার্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেও আলোচনা হবে। এ উদ্দেশ্যে এনভিডিয়া ও Elon Musk-এর মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদেরও সঙ্গে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে বেইজিংয়ের প্রধান দাবি হতে পারে তাইওয়ানে মার্কিন সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *