২৫ এপ্রিল : পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগে গয়না বা ধাতব বস্তু খুলে রাখা নতুন কিছু নয়। তবে এবার কর্নাটকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় পরীক্ষার্থীদের পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, বেঙ্গালুরুর করমঙ্গলা এলাকার একটি কলেজে কমন এন্ট্রান্স টেস্ট (সিইটি)-এর প্রথম দিনে এই ঘটনা ঘটে। সেখানে পাঁচজন ব্রাহ্মণ পরীক্ষার্থীকে তাঁদের পৈতে খুলতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার হাতে বাঁধা লাল-হলুদ পবিত্র সুতোও খুলে ফেলতে বা কেটে দিতে বলা হয়।
ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীদের বক্তব্য, পরীক্ষার সময় কানের দুল বা ধাতব গয়না খুলতে বলা হয় নিরাপত্তাজনিত কারণে—এটা তাঁরা বোঝেন। কিন্তু পৈতে খুলতে বাধ্য করার কোনও যৌক্তিকতা নেই বলেই তাঁদের দাবি। পরিস্থিতির চাপে পড়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে পৈতে খুলে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরীক্ষাকেন্দ্রে জড়ো হন অভিভাবকরা। তাঁদের অভিযোগ, পৈতে খোলার বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা নেই। উল্লেখ্য, গত বছরও এ ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরে সরকার স্পষ্ট জানায়, পরীক্ষার হলে উপবীত বা পৈতে খোলানোর কোনও প্রয়োজন নেই। এবার ফের একই অভিযোগ সামনে আসতেই প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। অভিযুক্ত তিন অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি নষ্টের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।



