মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ৯ এপ্রিল : পাথারকান্দি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু পালের নিজ ভোট কেন্দ্র কালাছড়া এলপি স্কুলের নিজের পক্ষে মতদান সাব্যস্ত করেন। এবং এই গণতন্ত্রের মহোৎসবকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে ৬২ নং কালাছড়া এলপি স্কুল প্রাঙ্গণে। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এই আবহের মধ্যেই ১৫৮ নং বুথে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণেন্দুবাবু দুপুর তিনটায় ভোট প্রদান শেষে যখন তিনি বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন, তখনই ধরা পড়ে এক ভিন্ন দৃশ্য মুখে হাসি, চোখে দৃঢ়তা, আর সমর্থকদের উদ্দেশে বিজয়ের প্রত্যয়ে হাত তুলে চিহ্ন প্রদর্শন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষারত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস। “জয়” ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। অনেকেই এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানান, কেউ করমর্দন করেন, আবার কেউ মোবাইল ফোনে সেই বিশেষ মুহূর্ত বন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সমর্থকদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে কৃষ্ণেন্দু পাল এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পাথারকান্দির মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং শান্তির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টিকে। আমি নিশ্চিত, এই ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন ফলাফলে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নেতৃত্ব আবার সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে আসামে এবং হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তিনি এও জানান মানুষের আশীর্বাদই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে মানুষের সমর্থনের উপর তাঁর অটুট বিশ্বাস। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আত্মবিশ্বাস কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ এবং কাজের অভিজ্ঞতা থেকেই উঠে এসেছে।এদিন ভোটকেন্দ্র চত্বরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও ছিল যথেষ্ট উৎসাহ। প্রবীণ থেকে নবীন সব বয়সের মানুষকেই দেখা যায় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে। নারী ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।



