বরাক তরঙ্গ, ২৫ মার্চ : গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেলের সহযোগিতায়, স্বদেশী জাগরণ মঞ্চ এবং স্বাবলম্বী ভারত অভিযান যৌথভাবে ‘যুব উদ্যমিতা এবং বিকশিত ভারত’ বিষয়ক একটি প্রেরণামূলক বক্তৃতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায়, নিবন্ধক ড. বিদ্যুৎকান্তি পাল, শৈক্ষিক নিবন্ধক ড. অভিজিৎ নাথ, ডিন অব স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ড. জয়দীপ পাল, অর্থ আধিকারিক অধ্যাপক রণবিজয় দাস, স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের অখিল ভারতীয় সংগঠক কাশ্মীরি লাল, স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের সম্পর্ক প্রমুখ অন্নদা শংকর পানিগ্রাহী, অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ ড. ধর্মেন্দ্র কুমার দূবে প্রমুখ। প্রদীপ প্রজ্বলন ও ড. কেশব লুইতেলের মঙ্গলাচরণ মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর একে একে অতিথিদের বরণ করা হয়। স্বাগত ভাষণ পেশ করেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ড. সুভাষ দেবনাথ।
স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ ড. ধর্মেন্দ্র কুমার দূবে তাঁর ভাষণে বলেন ভারতের উন্নয়নে যুবাদের উদ্যোমী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর এজন্য ভারতের প্রতিটি রাজ্যকে একই সঙ্গে বিকশিত করে তুলতে হবে। তিনি বলেন স্বাবলম্বী ভারত অভিযানের মুখ্য উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিকশিত ভারত নয় বরং সমৃদ্ধ ভারত। আর তাই চাকরির অপেক্ষায় না থেকে দক্ষতা বাড়াতে হবে। এরপর এরপর স্বদেশে জাগরণ মঞ্চের সম্পর্ক প্রমুখ অন্নদা শংকর পানিগ্রাহী, উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন উদ্যোমীদের উদাহরণ দেখিয়ে পড়ুয়াদের তাদের মত সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য নিজেদের গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নোয়নর জন্য সমাজকে উন্নত হতে হবে। আর এই জন্য সবার আগে চাই ব্যক্তির উন্নয়ন। স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের অখিল ভারতীয় সংগঠক কাশ্মীরি লাল তার ভাষনে বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের সফল হবার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি যুবাদের সফল উদ্যোমী হবার বিভিন্ন পথনির্দেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায় বলেন যুবশক্তি উন্নয়ন ও বিকাশ এ তিনটি শব্দের সঙ্গে ‘মহিলা’ এই শব্দটিও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মাতৃ শক্তি জাগ্রত হলে ভারত অবশ্যই বিকশিত হবে। আর তার জন্য প্রতিটি পড়ুয়াকে ‘earn while learn’ –শিখতে শিখতে উপার্জনের পথ খুঁজে নিতে হবে। প্রতিটি পড়ুয়াকে নিজেদের শক্তিকে চিনতে হবে এবং সেই শক্তিকে দক্ষতায় পরিবর্তিত করে নিজেদের উন্নয়ন করতে হবে। এভাবেই ভারতবর্ষ, শুধুমাত্র বিকশিত ভারত বর্ষ নয় সমৃদ্ধ ভারতবর্ষ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ সূচক বক্তৃতা রাখেন ড. কেশব লুইতেল। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়। এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিবিএ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষিকা মনীষা গোস্বামী।



