২৬ সেপ্টেম্বর : কঙ্গোতে বিমান দুর্ঘটনায় দুই শীর্ষ সামরিক আধিকারিকসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী কিনশাসায় ফেরার পথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকুইট থেকে উড্ডয়নের পর বিমানটি কেনগে এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতোম্বো কাটালায়ি তিয়েন্দে, যিনি দেশের সামরিক আদালতের প্রধান ছিলেন, এবং সশস্ত্র বাহিনীর অডিটর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া।
কঙ্গোর সেনাবাহিনীও দুই সামরিক আধিকারিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে জানান, বিমানটিতে দুই শীর্ষ আধিকারিকসহ একটি প্রতিনিধিদল ছিল। দুর্ঘটনায় প্রতিনিধিদলের আরও ১২ সদস্য এবং বিমানকর্মীরাও প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। এরপর কেনগে এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়ে এবং আরোহী সকলের মৃত্যু হয়। তবে ঠিক কী কারণে বিমানটিতে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল বা দুর্ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন একেঞ্জে। কঙ্গোর সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ত্রিফোঁ কিন-কিয়ে মুলুম্বাও জানান, দুর্ঘটনার কারণ এখনও অজানা।
উল্লেখ্য, কঙ্গোতে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা সংকট চলছে। বিশেষ করে দেশের পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী। গত বছর থেকে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে গোষ্ঠীটি পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল করেছে। ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।




