বরাক তরঙ্গ, ২৩ নভেম্বর : রবিবার অনুষ্ঠিত রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান আজকের কেবিনেট সিদ্ধান্তগুলো হল-
সংখ্যালঘু পরিচালিত বেসরকারি বিদ্যালয়ের ফি নিয়ন্ত্রণ।
এখন থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পরিচালিত ব্যক্তিগত বিদ্যালয়গুলোর ফি সরকার পর্যবেক্ষণ করবে। এ বিষয়ে নতুন আইন আনা হবে।
সমতল অঞ্চলের কার্বি জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক কার্বি পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই বিধানসভায় বিল তোলা হবে।
আসন্ন অধিবেশনে মোট ২৫টি নতুন ও সংশোধনী বিল আনা হবে।
২০২৬ সাল থেকে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাদেশিকীকরণ হবে।
এর ফলে — বহু শিক্ষক চাকরি পাবেন।১৫টি কলেজ এবং কয়েক হাজার স্কুল সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসবে
প্রাদেশিকীকৃত শিক্ষকদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি। এই শিক্ষকদের বেতন প্রতিবছর ৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে।
মহিলা শিক্ষক ৫ বছর সেবা শেষে ট্রান্সফারের যোগ্য। পুরুষ শিক্ষক: ৭ বছর সেবা শেষে ট্রান্সফারের যোগ্য
IIM-এর সহযোগিতায় পালাশবাড়িতে আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। NERIM-কে ব্যক্তিগত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।
চিলিং আইনের অধীনে শ্রমিক লাইনের জমি সরকারীকরণ করা হবে এবং শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
মোট ২,১৮,৫৫৩ বিঘা জমি হস্তান্তর করা হবে। এই বিষয়ে বিল ২৫ নভেম্বর বিধানসভায় তোলা হবে।
বিপ্লব কুমার শর্মা কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, কেউ ট্রাইবেল বেল্ট এলাকার জমি দখল করলে জেলা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এই বিষয়ে শীতকালীন অধিবেশনে বিল আনা হবে।
আঁহতগুড়ির ঐতিহ্যবাহী ‘মহযুঁজ’ সংস্কৃতিকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১৯৮৩ সালের নেলি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত তিওয়ারি কমিশনের কপি ২৫ নভেম্বর প্রতিটি বিধায়ককে দেওয়া হবে।
এছাড়া মেহতা কমিটির রিপোর্টও বিধানসভায় উপস্থাপন করা হবে।
এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর কেবিনেট বৈঠকে নেওয়া হবে এবং ২৭ নভেম্বর বিধানসভায় উপস্থাপন করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তগুলি ধাপে ধাপে আইনগতভাবে বাস্তবায়িত হবে।



