পানিখাইতিতে মহিলা কনস্টেবলের রহস্যমৃত্যু, সহকর্মী গ্রেপ্তার

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ২১জুন : গুয়াহাটির পানিখাইতি এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পানিখাইতি পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল দীপামণি হীরার রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভাড়া বাড়িতে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে পানীখাইতি ট্রেনিং সেন্টারের নিকটবর্তী একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন দীপামণি হীরা। তিনি পানীখাইতি পুলিশ ফাঁড়িতে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

সূত্রের খবর, শনিবার সকাল থেকে তাঁর স্বামী কানু কলিতা একাধিকবার ফোন করলেও দীপামণি ফোন রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে জানান। এরপর বাড়ির মালিক বাইরে থেকে ঘরের ভেতরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দীপামণিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে প্রাগজ্যোতিষপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এই ঘটনার তদন্তে অগ্রগতি ঘটিয়ে পুলিশ যোরাবাট থানায় কর্মরত কনস্টেবল মৃগেন বড়োকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটের ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে দাবি, প্রেমঘটিত সম্পর্কের জেরে দীপামণি হীরা এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, মৃগেন বড়ো এবং দীপামণি হীরা পূর্বে পানিখাইতি পুলিশ ফাঁড়িতে একসঙ্গে কর্মরত ছিলেন। পরে মৃগেন বড়োর বদলি হয়ে যোরাবাট থানায় হয়।

তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার নেপথ্যের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। মামলাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *