বরাক তরঙ্গ, ৬ মার্চ : অসম রাজ্য বিদ্যালয় শিক্ষা পরিষদ উচ্চমাধ্যমিক প্ৰথম বর্ষের শিক্ষাৰ্থীদের উত্তীর্ণ হওয়ার ন্যূনতম নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২ মার্চ জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষে উত্তীর্ণ হতে শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এর আগে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ন্যূনতম নম্বর ছিল ৩০ শতাংশ। পরিষদের মতে, নতুন শিক্ষানীতির নির্দেশিকা অনুযায়ী শিক্ষার মান উন্নত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত মান বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনায় উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এই পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে।
পরিষদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে নতুন নিয়মগুলি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ, উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে এখন থেকে প্রতিটি বিষয়েই শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীরা আরও মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে উৎসাহিত হবে।
দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত উত্তীর্ণ হওয়ার ন্যূনতম নম্বর ৩৩ শতাংশ নির্ধারিত থাকে। সেই অনুযায়ী অসমেও এই মান প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয় মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে, পরিষদের এই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন, আবার অন্যদের মতে এতে শিক্ষার্থীদের উপর কিছুটা বাড়তি চাপ পড়তে পারে। তবে শিক্ষা পরিষদ স্পষ্ট করেছে যে শিক্ষার মান উন্নত করা এবং শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে তোলাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। অসম রাজ্য বিদ্যালয় শিক্ষা পরিষদের এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহল মনে করছে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে রাজ্যের শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।



