।। প্রদীপ দত্ত রায়।।
১০ নভেম্বর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা গানটি কোন এক রাজনৈতিক সভায় দুই ছাত্রের গাওয়াকে কেন্দ্র করে এখন রাজনৈতিক তরজা অসম থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের অন্যান্য অংশ ছড়িয়ে পড়েছে। অসমের শ্রীভূমি জেলার কংগ্রেস দলের এক রাজনৈতিক সভায় সেবা দলের এক প্রবীণ কর্মী বক্তব্য রাখার সময় রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গে এসে “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই গানটি দু’লাইন গেয়ে শোনান। রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবাদের প্রসঙ্গ টেনেই উদাহরণ হিসেবে তিনি এই দুই লাইন গান গেয়ে শোনান। এই বিষয়টাকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত কংগ্রেসের সভায় পরিবেশিত হচ্ছে এবং এটা রাষ্ট্রদ্রোহের মতো অপরাধ বলে শাসক বিজেপি দল তোপ দেগে দিয়েছে। এই গানটি গাওয়ার অপরাধে আসামের বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এই গানটি ভিন্ন রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত। তাই এটা গাওয়াকে দেশের প্রতি অপমান বলে উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। বিজেপির আইটি সেল এ নিয়ে খুবই সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই সেলের এক কর্মকর্তা বলেই দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এর পিছনে কংগ্রেসের অসমকে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তি করার ষড়যন্ত্র প্রকাশ্যে এসে গেছে। হই হই রই রই বাঁধিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির আইটি সেলের ওই অর্বাচীনের জানা নেই , ১৯৩৮ সালের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যখন কংগ্রেসের সভাপতি তারই বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অসমের পাকিস্তান ভুক্তি আটকে যায়। এসব ইতিহাস না জেনে বিজেপি আইটিসেলের যে কর্মকর্তারা লাফালাফি করছেন তাদের কাছে এই ইস্যু বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে এটা তাদের অনুধাবন করা প্রয়োজন।
এই গানটির প্রথম ১৬ ছত্র বাংলাদেশ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হলেই এই গানটি কেউ কোথাও পরিবেশন করতে পারবে না এমনটা কি করে হয়। রবীন্দ্রনাথের গান হিসেবে এটা ক্ষেত্র বিশেষে গাওয়া যেতেই পারে এর সঙ্গে রাষ্ট্র প্রেম বা রাষ্ট্রদ্রোহের কোন বিষয়ে জড়িত নেই। ১৯০৫ সালে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কোমর ভেঙে দিতে লর্ড কার্জন যখনি বঙ্গভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি লিখেছিলেন। এই গানের মাধ্যমে স্বদেশী আন্দোলনে মানুষকে জাগ্রত করতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাঙালিকে ধর্মীয় লাইনে বিভাজন ঘটানোর যে উদ্দেশ্য ব্রিটিশ শাসক টা নিয়েছিল তা প্রতিহত করতে এই গানই হয়ে উঠেছিল মহামন্ত্র। এই গান গেয়ে মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলা হচ্ছিল। দ্বিজাতিতত্ত্বকে ব্যর্থ করে দিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন রাখি উৎসবের সূচনা করেন। হিন্দুরা মুসলিমদের হাতে এবং মুসলিমরা হিন্দুদের হাতে রাখি বেঁধে দিয়ে ভাতৃত্বের অটুট বন্ধনকে তুলে ধরেন। বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন কেবল বাংলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি এটা ছড়িয়ে পড়েছিল স্বাধীনতা আন্দোলন রূপে সারা ভারতে। পাঞ্জাবের লালা লজপত রায়, মহারাষ্ট্রের বালগঙ্গাধর তিলক সহ অন্যান্য রাষ্ট্র নেতারা তখন এই আন্দোলনে সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। কেবল তাই নয় আন্দোলনের ভাবধারাকে তারা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ জাতীয় চেতনার মধ্য দিয়ে বিশ্বমানবিক হয়ে উঠেন। যিনি মানুষকে সবসময়ই ধর্মের উর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। তিনিই তো বলেছেন ঈশ্বর কোনো নির্দিষ্ট স্থানে থাকেন না ঈশ্বর থাকেন মানুষের মনে। সেই রবীন্দ্রনাথকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যে ধরনের চেষ্টা শুরু হয়েছে তা কেবল লজ্জাজনক নয় নিন্দনীয়। সংকীর্ণ রাজনীতির পঙ্কিল আবর্তে রবীন্দ্রনাথকে টেনে আনার মত ধৃষ্টতা যারা দেখায় তারা ইতিহাস সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। এমনকি তাদের ভেতর মানবতাবোধ কতটুকু জাগ্রত এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
যারা রবীন্দ্র সংগীত এর অর্থ বোঝেনা, তারা কি করেই বা জানবে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একমাত্র ব্যক্তি যিনি ইউরোপ মহাদেশের বাইরে একমাত্র ব্যক্তি যিনি সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই পুরস্কারের দৌলতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রবীন্দ্রনাথ পড়ানো হয়। বিশ্বের সিংহভাগ দেশের মানুষ রবীন্দ্রনাথকে চেনেন তার মাধ্যমে ভারতবর্ষকে চেনেন। ভারতের অন্য কোন জননেতা বা মনীষীর প্রভাব রবীন্দ্রনাথের সমান নয়। এটাও যারা রবীন্দ্র চর্চা করেন না বা সমসাময়িক পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত নন তাদের পক্ষে জানা কঠিন। যে দল বিভাজনের রাজনীতি করে মানুষকে কুশিক্ষার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাদের পক্ষে রবীন্দ্রনাথের মূল্যায়ন করা কতটা সম্ভব এ নিয়ে আমি সন্দেহ মুক্ত হতে পারছি না। না হলে রবীন্দ্র সঙ্গীত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যে যে পার্থক্য তা তারা বুঝতে পারত। যেমন বাঙালি ও বাংলাদেশি এই দুটো শব্দের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে সেটা বুঝার ক্ষমতাও তাদের নেই। নাহলে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশী বলে নানা ধরনের তির্যক মন্তব্য করা শুরু হয়েছে। ধিক্কারযোগ্য এই কাজ যারা করছে তারা তো রবীন্দ্র সংগীতের মর্ম বোঝার কথা নয়। ফলে এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই গণতান্ত্রিক চেতনা সম্পর্ক মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিত।
২০১৪ সালে কলকাতার এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই গানের প্রথম দুই ছাত্র বাংলা ভাষায় উপস্থাপন করে সভায় উপস্থিত জনতার মন জয় করার চেষ্টা করেছিলেন। তাহলে প্রধানমন্ত্রীর সেই গান গাওয়ার ঘটনাটাও তাহলে কি রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী কী প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে পারবেন? বিজেপি আইটি সেল এর যে পন্ডিত প্রবর করিমগঞ্জের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে সেই ব্যক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর ওই সভায় উপস্থিত ছিল। এর ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে এ নিয়ে চলছে তুমুল নিন্দার ঝড়। শাসক বিজেপি দলের কেউ আমার সোনার বাংলা গাইলে তারা রাষ্ট্রপ্রেমী হবেন আর বিরোধী দলের কেউ এই গানটির দুলাইন গাইলেই রাষ্ট্রদ্রোহী হবেন এ ধরনের যুক্তি শুধু হাস্যকর নয় অবিবেচনাপ্রসূত বলেই মনে করি। করিমগঞ্জের যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী ব্যবস্থাপনার হুমকি দিয়েছেন আইনগতভাবে তার বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব হবে না। কারণ, বাংলাদেশ এই গানের প্রথম ১৬টি ছাত্র রাষ্ট্র সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করলেও গানটির মর্যাদা হানি হয়নি। এটি বিভিন্ন শিল্পীরা বিভিন্ন সময়ে ভারতবর্ষের নানা স্থানে সঙ্গীতানুষ্ঠানে পরিবেশন করে আসছেন। বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ১৯৭১ সালে আর এই গানটি রচিত হয়েছে ১৯০৫ সালে। কাজেই বিষয়টা পরিষ্কার। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বলে তকমা সেঁটে দিয়ে আমার সোনার বাংলা গানটি গাওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া কখনোই সম্ভব নয়। এটা বাঙালির ঐক্য সংহতির এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনের একটি গান। এই গানের মধ্যে বাঙালির অভিন্ন আত্মা খুঁজে পাওয়া যায়। যারা ধর্মীয় লাইনে বাঙালিদের বিভাজন করে রাখতে চায় তাদের কাছে তাই বিষয়টি গাত্রদাহের হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু, একজন সংস্কৃতিপ্রেমী সাধারণ বাঙালি কখনোই এর মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহীতার কোন কিছু দেখতে পান না। আর বাঙালিদের রাষ্ট্রপ্রেম শেখানোর ধৃষ্টতা না দেখানো ভালো। আন্দামানের সেলুলার জেলে কয়েদিদের তালিকা দেখলেই স্পষ্ট হয়ে পড়ে রাষ্ট্রপ্রেম ছিল বলেই কত বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীকে সেই কারাগারের অন্ধকূপে বছরের পর বছর কাটাতে হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কত শত শত বাঙালি আত্ম বলিদান দিয়েছেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী মহল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বমানবতা স্মরণ রেখে আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানটি জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দিয়ে নিজেদের উদার মনোভাব দেখিয়েছে। কারণ এই গানের মধ্যে বাঙালির একাত্মবোধ, দেশপ্রেম, বিশ্বমানবতা লুকিয়ে রয়েছে। ওই দেশে বারবার সরকার বদল হলেও এই গান নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও জাতীয় সংগীত কিন্তু বদল হয়নি। এটা হওয়া সম্ভব নয়। আবার এই গানটি ভারতে নানা অনুষ্ঠানে গাওয়া হলেও এ নিয়ে বাংলাদেশ কোন ধরনের মন্তব্য করে না। কারণ বিশ্ব কোভিদ কালো জয়ী সৃষ্টি বিশ্ব মানবের কিসের জন্যই তৈরি হয়। এখানে সংকীর্ণতার কোন জায়গা নেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ করি যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিদেশের কোন অনুষ্ঠানে যান সেখানে কোন কোন অনুষ্ঠানে সেই দেশের মানুষকে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে দেখা যায়। তাহলে ওই দেশ কি ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন কারীদের রাষ্ট্রদ্রোহিত না এতে জেলে পুড়ে দেবে? বিষয়টি নিয়ে ভাবার দরকার। অন্তত ভাবার অভ্যাস করা উচিত। বর্তমান শাসক দলের নেতাজীর মধ্যে যে ধৈর্যচ্যুতি মনোভাব দেখা দিয়েছে তা সমাজের সার্বিক কল্যাণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। তারা এটা উপলব্ধি করতে না পারলেও আমজনতা কিন্তু এসব জিনিস ধীরে ধীরে বুঝতে পারছে। ছোট্ট ছোট্ট ঘটনাকে বৃহৎ আকারে সাজিয়ে বড় বড় ঘটনাকে আড়াল করার যে অপচেষ্টা তা মানুষের মধ্যে চিন্তা চর্চার জন্ম দিয়েছে। আজ ১০০ মানুষ এ নিয়ে সড়ক হচ্ছে আগামীতে হাজার মানুষ হবে এরপর লক্ষ মানুষ। কারণ সত্যকে আড়াল করে অসত্যকে তুলে ধরে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস কখনোই সফল হতে পারে না।
আবার বলছি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি এই গানটি বিশ্বের জেজের স্থানে বাঙালিরা বসবাস করে তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব সম্পদ। বাঙালিরাও এই গানকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ যদি মনে করেন তাতে কোন ভুল নেই। কাজেই এই গানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি করে রবীন্দ্রনাথের গায়ে খোদা কাদা লাগানো সম্ভব নয়। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ঋষি তুল্য মানুষ। তার জীবন দর্শন নিয়ে যারা একটু-আধটু জ্ঞান রাখেন তারাই বুঝতে পারবেন যে তার মত মনীষীকে কোন বিতর্কের মধ্যে টেনে আনা মূর্খামির পরিচয়। তার প্রতি মানুষের যে আবেগ রয়েছে তাকে নিয়ে খেলা করা উচিত নয়। করিমগঞ্জ জেলার এক অনুষ্ঠানে এই গান গাওয়া কে কেন্দ্র করে যে বিতরকের সৃষ্টি হয়েছে তার জবাব দিতে পশ্চিমবঙ্গের নানাস্থানে অনুষ্ঠান আয়োজন করে আমার সোনার বাংলা শত শত কন্ঠে গাওয়া হচ্ছে। এই গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে বিজেপি দলের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। অসমেয় এই গান গাওয়ার জন্য নানা স্থানে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এটা হল প্রতিবাদ জানানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত। ভারতীয় আইনের কোন ধারাই এই সঙ্গীত পরিবেশনকে ঠেকানোর কোন ব্যবস্থা নেই। গায়ের জোরে কিছু মানুষের উপর আক্রোশ মূলক মনোভাব দেখানোর অপচেষ্টা কোন শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ সমর্থন করতে পারেন না। কিছু পা চাটা দলদাস ছাড়া অসম সরকারের সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে রাজি হবেন না। এই সত্যটা শাসকদলের নেতৃবৃন্দের মাথায় রাখা উচিত ছিল। মানুষের শিল্প সংস্কৃতি চর্চায় প্রতিবন্ধক হয়ে জোর করে অন্ন সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া এবং চিরাচরিত সংস্কৃতিকে অপেক্ষার নজরে দেখা এটা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। বিষয়টা স্পষ্ট করেই বললাম।
(মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)



