৭ অক্টোবর : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এবং ‘ভোটচুরি’ ও স্বেচ্ছাচারী আচরণের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবারের পর বুধবারও দিল্লির যন্তর মন্তর অভিমুখে বিক্ষোভ দেখাল বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের আমন্ত্রণে মধ্য দিল্লির এক রেস্তোরাঁয় বিরোধী সাংসদদের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে বাসে চেপে যন্তর মন্তরের উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ডেরেক ও’ব্রায়েনরা। কিন্তু যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে বাস আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ।
যন্তর মন্তর এলাকায় দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই ১৬৩ ধারা (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) জারি করা হয়েছিল। ফলে সেখানে অনুমতিহীন জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। পুলিশ বাস আটকে দেওয়ায় রাস্তা থেকেই নেমে পড়েন রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা। এর পরেই সেখানে উপস্থিত এনএসইউআই (NSUI) কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা ছড়ায়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশ দমনপীড়ন চালাচ্ছে অভিযোগ তুলে রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্রতিবাদ জানান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অন্য মহিলা সাংসদরা। ডেপুটি কমিশনার শচিন শর্মা জানান, নির্দিষ্ট বিধি মেনেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।

এর আগে দুপুরে জনপথ এলাকার এক রেস্তোরাঁয় ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সাংসদেরা জরুরি বৈঠকে বসেন। এসআইআর (SIR) বা ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্ক এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সাম্প্রতিক কার্যকলাপে সরব হয়ে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দেশজুড়ে চলা এই আন্দোলন ও বিক্ষোভ আরও তীব্র করতে আগামী দিনে কী রণকৌশল নেওয়া হবে, তা নিয়েই এদিনের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।



