সার্ধশতবর্ষ উদযাপনে সরস্বতী বিদ্যানিকেতনে ‘নমামি ভারতম’ অনুষ্ঠান

Spread the news

হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’, শিলচরে ঐতিহাসিক আয়োজন______

বরাক তরঙ্গ, ২৫ সেপ্টেম্বর : ‘বন্দে মাতরম’-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে শুক্রবার দেশজুড়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হল ‘নমামি ভারতম’ কর্মসূচি। বিদ্যাভারতী অখিল ভারতীয় শিক্ষা সংস্থান, নয়াদিল্লির উদ্যোগে সকাল ১১টায় দেশের ২৫ হাজারেরও বেশি স্থানে একসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। আয়োজকদের দাবি, এই কর্মসূচিতে এক কোটিরও বেশি মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ নাগরিক অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি এশিয়া বুক অব রেকর্ডসে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিলচরের দক্ষিণাঞ্চলে সরস্বতী বিদ্যানিকেতনের ব্যবস্থাপনায় বিদ্যালয় সংলগ্ন দ্বিতীয় লিঙ্ক রোড উন্নয়ন কমিটির মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপিকা ড. সুপর্ণা রায়। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান তথা বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সহ-সভাপতি ড. দেবতোষ চক্রবর্তী, প্রধান আচার্যা সঙ্গীতা রায় চৌধুরী, পরিচালন সমিতির সভাপতি সুষীম চন্দ্র নাথ, সম্পাদক ড. বিশ্ববিজয় ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ড. সুপর্ণা রায় বলেন, ‘বন্দে মাতরম’ শুধু একটি গান নয়, এটি জাতীয় গৌরব ও আবেগের প্রতীক। সার্ধশতবর্ষে পৌঁছানো এই ঐতিহ্য আমাদের কাছে গৌরবের বিষয়। অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

উল্লেখ্য, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৫ সালে ‘বন্দে মাতরম’ রচনা করেন। পরে ১৮৮২ সালে প্রকাশিত ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৯৬ সালে কলকাতায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *