বরাক তরঙ্গ, ১১ সেপ্টেম্বর : কাছাড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং শিলচর সঙ্গীত বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় প্রখ্যাত লোকশিল্পী কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী ও লোকসংহতি দিবস ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হয়। উল্লেখ্য, কালিকাপ্রসাদের জন্মদিন ১১ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে লোকসংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি এডিসি ডেভিড কুমার বরা, কাছাড় ও হাইলাকান্দির সাংস্কৃতিক আধিকারিক শেয়াংশু শেখর রায়, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা নন্দিনী চক্রবর্তী, পরিচালন সমিতির সহ-সভাপতি সমর বিজয় চক্রবর্তী, কমলেশ ভট্টাচার্য, কানাই দাস এবং শিক্ষক ভাস্কর দাস।
সঙ্গীত বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের লোকসঙ্গীত ও গবেষণামূলক কাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এডিসি ডেভিড কুমার বরা বলেন, লোকসংস্কৃতির ক্ষেত্রে কালিকাপ্রসাদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর কাজ লোকসঙ্গীত ও লোকসংস্কৃতিকে দেশ-বিদেশে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

এরপর সঙ্গীত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করে। কালিকাপ্রসাদের কথা ও সুরে রচিত গান সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হলে অনুষ্ঠানে এক নান্দনিক আবহ তৈরি হয়।
একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিধান লস্কর, স্বস্তিক চক্রবর্তী, শান্তি কুমার ভট্টাচার্য, প্রিয়াঙ্কা দেব রায় এবং কীর্তনশিল্পী অজিত দেব। কীর্তন পরিবেশনের সঙ্গে উলুধ্বনিতে অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একক নৃত্য পরিবেশন করেন সৌমিত্র শংকর চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শহরের বিশিষ্ট শিল্পীদের সম্মিলিত পরিবেশনায় কালিকাপ্রসাদের কথা ও সুরে ‘আমি তোমারি তোমারি নাম গাই’ গানটির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাচিকশিল্পী মনোজ দে ও ভাস্কর দাস। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন সত্যজিৎ শীল, তবলায় নিতাই দাস, দোতারায় সন্দীপ ভট্টাচার্য এবং ঢোলে ভাস্কর দাস।



