ইউনিভার্সিটি লো-কলেজ, গুয়াহাটি থেকে ফার্স্ট ক্লাস, কাটিগড়ার কাতিরাইলের দেবস্মিতাকে বিধায়কের সংবর্ধনা

Spread the news

শমীন্দ্র পাল, কাটিগড়া।
বরাক তরঙ্গ, ৩০ আগস্ট : ইউনিভার্সিটি লো-কলেজ, গুয়াহাটি  থেকে বিএএলএলবি (অনার্স) পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস নিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে কাটিগড়ার মুখ উজ্জ্বল করেছেন কাতিরাইলের মেধাবী যুবতী দেবস্মিতা চৌধুরী। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে এলাকাজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। রবিবার দেবস্মিতার কাতিরাইলস্থিত বাসভবনে গিয়ে তাঁকে সংবর্ধনা জানান কাটিগড়ার বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ। এদিন বিধায়ক দেবস্মিতারকে উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

সংবর্ধনা প্রদান করে বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বলেন, “দেবস্মিতার এই সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারের নয়, সমগ্র কাটিগড়ার জন্যই অত্যন্ত গর্বের বিষয়। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও মেধার মাধ্যমে সে যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা এলাকার অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে আরও এগিয়ে গিয়ে দেবস্মিতা সমাজ ও এলাকার নাম আরও উজ্জ্বল করবে – এই প্রত্যাশাই করি। তাঁর আগামী দিনের পথচলার জন্য আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ রইল।”
একই সঙ্গে আগামী দিনে উচ্চশিক্ষার পথ আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দেবস্মিতাকে উৎসাহিত করেন বিধায়ক।
এসময় বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি কাটিগড়া মণ্ডল সভাপতি বিশালাক্ষ দেব, জিপি সভাপতি রিপন রায়-সহ এলাকার আরও বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা দেবস্মিতার সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর আগামী দিনের শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট বিএএলএলবি (অনার্স) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফল প্রকাশের পর দেবস্মিতার এই কৃতিত্বে তাঁর পরিবারে নেমে এসেছে আনন্দের জোয়ার। দেবস্মিতার বাবা দেবব্রত চৌধুরী পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা শিবানী চৌধুরী গৃহবধূ। যৌথ পরিবারের পরিমণ্ডলে দুজন জেঠু দেবাশীষ চৌধুরী ও দেবজ্যোতি চৌধুরী, জেঠিমা, দাদা, দিদি ও ছোট ভাই-বোনদের সঙ্গে বেড়ে ওঠা দেবস্মিতার এই সাফল্য পরিবারটির জন্য নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত।

শিক্ষাজীবনের এই সাফল্যকে পাথেয় করে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত ক্ষেত্রে আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছবেন দেবস্মিতা- এমনটাই প্রত্যাশা পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *