সিজেপি আন্দোলন ন্যায্য, তা আগে বুঝলে ভাল করতেন ভাগবত

Spread the news

।। প্রদীপ দত্তরায় ।।
(লেখক ছাত্র সংগঠন আকসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী)
১৭ আগস্ট : নিট ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিজেপি বা জেন জির আন্দোলন গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। সেই আন্দোলন পুরোপুরি ন্যায্য ছিল অনেক জল গড়ানোর পর তা মেনে নিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। মুম্বাইয়ে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে তিনি মতবিনিময় করেন। সে বৈঠকে ভাগবত বলেন, কারো কাজকর্মে অসন্তুষ্টি দেখা দিলে এ নিয়ে প্রশ্ন করা যেতেই পারে। আর প্রশ্ন করার অর্থ দেশদ্রোহিতা নয়। জেনজিকে দেশের ভবিষ্যৎ বলে উল্লেখ করে ভাগবত বলেন যে বিষয় নিয়ে যুব প্রজন্ম আন্দোলন করছে তা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। তার মতে প্রতিবাদ সুস্থ-গনতন্ত্রের লক্ষণ। তিনি এটাও বলেছেন শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ দেশ ও সমাজের পক্ষে কোনমতেই কাম্য নয়। শিক্ষাব্যবস্থা সুস্থতা বজায় রাখা কেবলমাত্র সরকারের একক দায়িত্ব নয় এর উল্লেখ করে তিনি বলেন এটা সামগ্রিকভাবে সমাজেরও দায়িত্ব। যুব প্রজন্ম যে প্রশ্ন করছে এর জবাব দেওয়া শাসক পক্ষের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যুব প্রজন্মের প্রশ্নকে উপেক্ষা করে দেখা ঠিক নয়। তারা যে সমস্যা তুলে ধরছে এর সমাধান অবশ্যই করতে হবে। ভাগবত স্পষ্ট করেই বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাণবন্ত রাখার জন্য বারবারই প্রশ্ন করা প্রয়োজন। কাজেই যুব প্রজন্মকে তিনি প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে বলবেন না। তারা যদি চিৎকার করে প্রতিবাদ করে তাহলে বুঝতে হবে যা নিয়ে প্রতিবাদ করছে এর মধ্যে কিছু গলদ রয়ে গেছে এবং তা সংশোধন করতে হবে। ভাগবত বললেন প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন করা তার তারুণ্যের ধর্ম। প্রশ্ন করা মানেই দেশদ্রোহিতা নয়। নিট ইউ জি প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে যে আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে এটাকে ন্যায্য বলে মর্যাদা দিলেন তিনি।

জেন জি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা পর্বে মিলিত হওয়ার আগে মোহন ভাগবত একবার বলেছিলেন ‘আমাদের সময়ে বড়রা যা বলতেন ছোটরা তা নীরবে মেনে নিতেন প্রশ্ন করার তেমন সুযোগ ছিল না।’ এক্ষেত্রে তিনি আমাদের দেশে পরম্পরাগত সংস্কারের কথাই উল্লেখ করেছেন। তবে সংস্কার যে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে তা বর্তমান প্রজন্মের চালচলন থেকেই বোঝা যায়। বিষয়টা নেতিবাচক বলে ধরে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। বর্তমানে সময় বদলে গেছে। এখনকার প্রজন্ম নতুন করে ভাবতে শিখেছে, প্রশ্ন করতে শিখেছে। তাদের প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তাদের প্রশ্নের জবাব দিতেই হবে। যুব প্রজন্ম যে বিষয় নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছে তার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে। এটা যদি সমাজের সার্বিক মঙ্গলের জন্য হয়। তাহলে তা মেনে নিয়ে সংস্কারের পথে হাঁটতেই হবে। সরকারকে এক তরফা মনোভাব নিয়ে চললে হবে না। ভাগবতের এই মনোভাব প্রকাশের পর শাসকদলের মধ্যে সিজেপিকে লক্ষ্যবস্তু করে কদর্য আক্রমণ করার প্রবণতা কমে এসেছে। যেসব সাংসদ ও অসংসদীয় ভাষায় নোংরা শব্দ প্রয়োগ করে সিজেপি আন্দোলনকারীদের অভিহিত করেছিলেন তারাই এখন সিজেপি সদস্যদের মধ্যে গুণ দেখতে পাচ্ছেন। অথচ, দিল্লি যন্তর মন্তরে যখন আন্দোলন চলছে তখন এটাকে বিদেশি অর্থে মদতপুষ্ট আন্দোলন বলে চিহ্নিত করে সিজেপি নেতাদের বদনাম করতে শাসক দল কসুর করেনি। এমন কি আন্দোলনকারীদের দেশদ্রোহী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। সিজেপির আন্দোলনে কিছু বাইরের লোক ঢুকে কিছুটা অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছিল এটা ঠিক । তবে সিজেপির এই আন্দোলনে দেশপ্রেমিক মানুষের সংখ্যায় ছিল বেশি। সমাজ হিতৈষী বুদ্ধিজীবী এবং দেশের কৃষক সমাজ এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। আন্দোলন যে বিদেশি মদদপুষ্ট ছিল না তাও সরকারি ভাষ্যই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

যন্তর মন্তরে জেন-জি’রা এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে এক দিশা দেখিয়েছে। বিগত ১২ বছর ধরে চলতে থাকা ঘুণে ধরা বিজেপি আইটি সেলের একচেটিয়া প্রপোগান্ডাকেও ওরা এক লহমায় চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। এই আন্দোলনে যে শুধুমাত্র পড়ুয়ারাই সামিল হয়েছিলেন তা কিন্তু একদমই নয়, বরং এই আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জড়িত হয়েছিলেন সমাজের প্রত্যেক বঞ্চিত, অবহেলিত জনগণ। যা দেখে কার্যতঃ শাসক শিবির বিব্রত বোধ করে। ওরা দুঃস্বপ্নেও কোনদিনই ভাবতে পারেনি যে, ভারতের যুব প্রজন্মের ডাকে গোটা দেশবাসী একটানা ৩৬ দিন ধরে রাস্তায় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ধরনা প্রদর্শন করবে। সনম ওয়ানচুকের মতো বিশিষ্ট পরিবেশবিদ অনশন ধর্মঘট করবেন এটা অভাবনীয় ছিল। এই অনশন কর্মসূচির সমর্থনে উত্তর পূর্বাঞ্চল সহ দেশের বড় বড় শহর গুলিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং যুব সংগঠন এই মিছিল আয়োজনে এগিয়ে আসে। যুব প্রজন্মের এই ঐক্যবদ্ধ রূপ দেখে শাসক দল বিষয়টি নিয়ে অন্যভাবে ভাবতে শুরু করে। প্রশ্ন ফাঁস কেলেঙ্কারি দায় মেনে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। আদালতের দোহাই দিয়ে পুলিশ সনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় হাসপাতালে। তারপর সরকার পক্ষের উদ্যোগে তার অনশন ভঙ্গ করানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করার পর সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহার করে এবং সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে। সে বৈঠকে ছাত্ররা শর্ত চাপিয়ে দেয় আন্দোলন করার জন্য যাদের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা নিয়েছে সেগুলি প্রত্যাহার করতে হবে। এই শর্ত মেনে বিভিন্ন রাজ্য সরকার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে এ সংক্রান্ত মামলাগুলি প্রত্যাহার করে নিতে। তবে সুপ্রিম কোর্টে এই আন্দোলনে পুলিশি অত্যাচারের যে ঘটনা ঘটেছে এ নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানির সময় আদালত জানিয়ে দিয়েছে যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধের মামলা রয়েছে তাদের রেহাই দেওয়া যাবে না। যদিও সিজিপি এই বক্তব্য মানতে নারাজ।

প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত ছত্রিশগড়ের একটি মামলায় হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছে। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যুক্ত থাকার দায়ে ওই রাজ্যের একজন আইএএস আধিকারিককে জামিন মঞ্জুর করেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ হলো, প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা মানুষ খুনের চেয়েও বড় অপরাধ। মানুষ খুনের ক্ষেত্রে একজন মানুষের জীবন যায় কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হলে লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্ন খুন হয়ে যায়। এটাকে খাটো করে দেখা যায় না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ নিঃসন্দেহে সমাজকে নতুন বার্তা দিয়েছে। দেশের নানা প্রান্তে যে শিক্ষা সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে এর জ্বলন্ত প্রমাণ হলো এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা। কেবল নিট-ইউ জি পরীক্ষাই নয় বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন পরীক্ষায় এই ঘটনা ঘটছে। ঝাড়খণ্ডে জেপিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা নিয়ে ওই রাজ্যে পড়ুয়ারা দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। সরকারের সঙ্গে দু দফা বৈঠক হলেও এর সমাধান হয়নি এখনও। যদিও সরকার ছাত্রদের অনেক দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু জেপিএসসি পরীক্ষায় পাশ করে যারা ইতিমধ্যে চাকরি পেয়ে গেছেন তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা রাজ্য সরকারের একতিয়ারে পড়ে না বলে ওই রাজ্যের এক মন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে এই জট কাটানোর জন্য অন্য পথ খুঁজতে রাজ্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঝাড়খন্ডের এই ছাত্র আন্দোলনকে সিজেপি সমর্থন জানিয়েছে। এআইএসএফের সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বরা এই আন্দোলনকে সমর্থন করে তাতে যোগ দেন। তবে তার মুখে কালি ছিটিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অবশ্য এই ছাত্রনেত্রী দমে যাননি। তার বক্তব্য অন্যায়ের প্রতিবাদে তার সরব ভূমিকা চক্রান্ত করে দমন করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত যুব প্রজন্ম সম্পর্কে তার অভিমত তুলে ধরার পর এর প্রভাব পড়েছে বিজেপি দলের ওপরও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শিক্ষার্থীদের প্রতি তার মনোভাব নতুনভাবে প্রকাশ করেছেন। দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য রাখেন তাতে অন্য সুর শোনা গেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছেন কৌতুহল বাঁচিয়ে রাখতে। না ভেবে না বুঝে যেসব বিষয় মেনে নেওয়া হয় সেগুলোকে যাচাই করে সেগুলির ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কেবল তাই নয় প্রশ্ন করেই পড়ুয়ারা যাতে থেমে না থাকে, এর সমাধান খোঁজার সাহস সঞ্চয় করার মানসিকতা গড়ে তুলতে বলেছেন। তিনি বাস্তব উপলব্ধি করেই বলেছেন প্রতিটি প্রজন্মকেই নিজস্ব কিছু চ্যালেঞ্জ ও জাতীয় দায়িত্বের মুখোমুখি হতে হয়। দেশের মঙ্গলার্থে যুব প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেছেন। আগামী দিনে বিকশিত ভারত গড়ে তুলতে বর্তমানের জেন জি প্রজন্মের দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর মত শাসক দলের প্রত্যেক ব্যক্তিই যদি এই সত্য উপলব্ধি করে থাকেন তাহলে তাদের মনোভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। কারণ, দেশ ভবিষ্যতে এই জেন জি প্রজন্মের হাতেই থাকবে অনেকদিন। তারপর পরবর্তী প্রজন্মের হাতে যাবে। শাসক দলের বিলম্বে হলেও বোধোদয় ঘটেছে বলা যায়।

আমাদের দেশে কেবল শিক্ষাই নয় স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ , জনপরিষেবা এবং সরকারি পরিষেবার মধ্যেও অনেক ঘুণ ধরেছে। এগুলোকে সাফাই করতে হলে সমাজের সব স্তরের মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে। কেবলমাত্র জেন জির উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে না। শাসক এবং বিরোধী সব রাজনৈতিক দলের দেশপ্রেমিক মানুষগুলোকে দেশের এসব দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। কৃষক শ্রমিক এবং বুদ্ধিজীবীদের অংশগ্রহণ খুবই জরুরী। তবে দুর্নীতি নির্মূলের জন্য গড়ে ওঠা আন্দোলন অহিংস এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া বাঞ্ছনীয়। আমাদের দেশ সারা বিশ্বকে শিখিয়েছে কিভাবে শান্তির পথে থাকা যায়। স্বাধীনতার পর জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় বিশ্বকে ভারত যে পথ দেখিয়েছে আজ সেই পথ থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জোট গড়ে উঠছে। পারস্পরিক বাণিজ্য সুবিধার জন্য গড়ে ওঠা, এই জোটগুলি বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রে এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অবস্থায় আসতে হলে দেশের ভিতর যেসব ক্ষেত্রে দুর্নীতি রয়েছে সমাজে যে সকল কলুষিত প্রথা রয়েছে সেগুলি নির্মূল হওয়া প্রয়োজন। হিংসা বা ঘৃণার রাজনীতি কখনওই সমাজের সার্বিক উন্নতি ঘটাতে পারে না। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রেখে প্রতিটি জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে। দেশের যে সকল বিরোধী দল রয়েছে সেই দলগুলিও দেশের স্বার্থেই কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে তাদের প্রতি বিরূপ সমালোচনা যুবপ্রজন্ম মেনে নেবে না এ কথাটা শাসকদলের মাথায় রাখা উচিত। তাছাড়া ক্ষমতা চিরকাল বজায় থাকে না। আজ যে ক্ষমতায় আছে কাল সে নাও থাকতে পারে। তাই ক্ষমতার হাত বদল হলেও দেশের সামগ্রিক স্বার্থ যাতে বিঘ্নিত না হয় সেদিকে নজর রাখা আমজনতার দায়িত্ব। জেন-জি’রা ৩৬ দিন টানা আন্দোলন করে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলুষ মুক্ত করার জন্য তারা অবিচল। সবকিছু দেখে মনে হয় ওরাই একমাত্র নিয়ে আসতে সক্ষম হবে আগামীদিনের নতুন বিকশিত ভারত।
(মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *