বরাক তরঙ্গ, ১৫ জুলাই : শালগঙ্গা এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় আহত হয়ে মৃত্যু হল শিলচরের তারাপুর সুমতি লেনের বাসিন্দা ২০ বছর বয়সি সৌম্যজ্যোতি (রিক) নাথের। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে দ্রুত শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত প্রায় ৮টায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সৌম্যজ্যোতি বিজ্ঞান বিভাগের একজন ছাত্র ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুর খবরে তারাপুরসহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি বাবা হিমাদ্রিশেখর (রন্টু) নাথ, মা স্মৃতিরানি নাথ, বোন ঋত্বিকা নাথসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীকে রেখে গেছেন।
জানা যায়, সৌম্যজ্যোতি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর একজন সক্রিয় স্বয়ংসেবক ছিলেন এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। ভদ্র আচরণ, কর্মনিষ্ঠা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতার জন্য তিনি এলাকায় পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে কাছাড় যোগী সম্মিলনী, ভারতীয় জনতা পার্টির কাছাড় জেলা শাখা, নাথ যোগী উন্নয়ন পরিষদ, আদিনাথ শিক্ষা ভাণ্ডার, মহাযোগী গোরক্ষনাথ সেবাশ্রম সংঘসহ একাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন। এছাড়াও সাংসদ কণাদ পুরকায়স্থ, প্রাক্তন বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী, নীরেন পাল, বিপ্লব দেবনাথ, রোহিতাক্ষ নাথসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শোকপ্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রয়াতের পিতা হিমাদ্রিশেখর (রন্টু) নাথ ভারতীয় জনতা পার্টির একজন কর্মী। তাঁর জেঠু প্রয়াত ডাঃ শশাঙ্কশেখর নাথ কাছাড় জেলা বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তরুণ সৌম্যজ্যোতির অকাল প্রয়াণে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে।



