বরাক তরঙ্গ, ১৪ জুলাই : ডবকায় উধারবন্দের যুবতী তথা গৃহবধূকে নির্যাতনের পর তাঁকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে গুরুতর জখম করা হয়। অ্যাসিড নিক্ষেপে মৌসুমী দে নামে গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ ঘটনায় মৌসুমীর দেবর নিরূপম দে-কে পুলিশ গ্রেফতার করেছ।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্বামী বিশ্বজিৎ দে কর্মসূত্রে শিলচরে অবস্থান করছিলেন। সেই সুযোগে দেবর নিরূপম দে, জা কাবেরী দে এবং শাশুড়ি শিখা দে মিলে মৌসুমী দের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানোর পর তাঁর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ডবকা থানার পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। ইতোমধ্যেই মূল অভিযুক্ত নিরূপম দেকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযুক্ত কাবেরী দে ও শিখা দে বর্তমানে পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, প্রায় নয় বছর আগে শিলচরের উধারবন্দ এলাকার বাসিন্দা মৌসুমী দে এবং ডবকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দে-র প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে হয়। তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে ডবকা-সহ গোটা হোজাই জেলায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পলাতক অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



