সংবাদপত্রের প্রতি পাঠকের অনীহা বৃদ্ধি গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ সংকেত

Spread the news

।। প্রদীপ দত্তরায় ।।
(লেখক প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী)
১০ জুলাই : বর্তমান সময়ে সংবাদপত্রের প্রতি পাঠকদের অনীহা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে খুবই অশুভ লক্ষণ এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। সংবাদ মাধ্যম গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণতন্ত্রের বাকি তিনটি স্তম্ভ প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা এবং সরকারের কাজ কর্মের উপর নজরদারি রাখে এই সংবাদপত্র। এই তিনটি স্তম্ভের কোনো গাফিলতি বা দোষ ত্রুটি থাকলে তা জনসমক্ষে তুলে ধরে সংবাদপত্র। কাজেই সংবাদপত্রের ভূমিকা যদি দুর্বল হয়ে যায় তাহলে তা গণতন্ত্রের পক্ষে মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। এক কথায় গণতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের জন্য সংবাদপত্রের ভূমিকা ইতিবাচক। এটা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। তবে ইদানিং সংবাদপত্রের প্রতি পাঠকদের নানা কারণেই অনীহা দেখা যাচ্ছে। একশ্রেণির মানুষ সংবাদপত্র রাখেন নিজেদের পরিবারের কৌলিন্য বোঝানোর জন্য। আর এক শ্রেণির পাঠক শুধু সংবাদপত্রের হেডলাইন পড়েই ছেড়ে দেন। অবশ্য একশ্রেণীর পাঠক এখনো আদ্যোপান্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সংবাদপত্র পড়েন এবং ভুল ভ্রান্তি গুলো তারা তাদের চোখে পড়ে এবং ধরিয়ে দেন কর্তৃপক্ষকে। বিশেষ করে যারা প্রবীণ তারা এখনো সকালে চায়ের টেবিলে সংবাদপত্র না দেখলে শান্তি পান না। তাদের দিনটি শুরুই হয় সংবাদপত্র পাঠের মধ্য দিয়ে। কিন্তু নতুন প্রজন্মের চিন্তাধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের কাছে সংবাদপত্র পড়ার মতো সময় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রেখেই তারা তাদের দৈনন্দিন জীবন শুরু করে। সংবাদপত্রের প্রচার এবং প্রসার একটু একটু করে কমতে শুরু করলেও এখনো গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র অপরিহার্য। কারণ, লোকসভা বা বিধানসভায় যেকোনো বিষয়ে উত্থাপনের সময় এই সংবাদপত্রের কাটিং উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো বিষয় সেখানে তথ্য হিসাবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই। এদিক থেকে দেখতে গেলে পাঠকের মধ্যে সংবাদপত্র সম্পর্কে অনীহা সৃষ্টি হলেও সংবাদপত্র তার নিজের মর্যাদা কিন্তু একটুকু হারায়নি। জনসাধারণের অভাব অভিযোগ, সমাজ জীবনের অন্যায় অপরাধ ইত্যাদি ঘটনা সংবাদপত্রের মাধ্যমে মানুষ জানতে পারেন। সেজন্য আমজনতার কাছে এখনো ভরসার স্থল সংবাদপত্র। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।

ইদানিংকালে দেখা যাচ্ছে বরাক উপত্যকায় একের পর এক সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেবল সাপ্তাহিক বা অর্ধ সাপ্তাহিক নয় দৈনিক পত্রিকাও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে না। দৈনিক সোনার কাছাড় পত্রিকা বন্ধ হওয়ার পর উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রথম বাংলা সংবাদপত্র দৈনিক প্রান্তজ্যোতি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বন্ধ ‘গতি দৈনিক’ পত্রিকাও বন্ধ হয়ে গেছে ১ লা জুলাই ‘২৬ থেকে। খুবই দুঃখ পেলাম, এভাবে একের পর এক প্রিন্ট মিডিয়া গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায়। এতে সব চাইতে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন যাঁদের জীবিকাই সাংবাদিকতা এবং যাঁরা সংবাদপত্র প্রকাশনের সঙ্গে নানা কাজে যুক্ত। এর ফলে লেখক, কবি, সাহিত্যিক দের লেখা প্রকাশের সীমা যেমন সংকীর্ণ হবে তেমনি পাঠকরাও বঞ্চিত হবেন। অন্যান্য পত্রিকাগুলির আর্থিক অবস্থাও ততটা ভালো নয়। কোনও কোনও সংবাদপত্র কর্মী সংকোচন করে অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। যে উপত্যকায় সংবাদপত্র এক বিরাট ভূমিকা পালন করেছিল সেগুলি যদি অস্তিত্বের সংকটে পড়ে তাহলে এর পিছনে কারণগলি কি তা পর্যালোচনা করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। স্বাধীনতার পর বরাক উপত্যকা থেকে অনেক বলিষ্ঠ সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। আকারে ক্ষুদ্র হলেও এই সংবাদপত্র গুলির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। সে সময়ে সাংবাদিকরা পেশাদারিত্ব ভাবনা বাদ দিয়ে জনসেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতেন। পরিবার প্রতি পালনের জন্য তাদের অন্য কাজও করতে হতো। এমন সংঘাতমূলক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সংবাদপত্রগুলি পাঠক সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে জনহিতকর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হতো। অনেক ক্ষেত্রে সংবাদপত্র প্রকাশের আয় এবং খরচে অনেক ব্যবধান থেকে যেত। তথাপি সংবাদপত্র গুলি দমেনি। কিন্তু এখন পেশাদারিত্বের সময় এসে সংবাদপত্রের ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। এটা সামাল দিতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন হিমশিম খাচ্ছে।

সংবাদপত্রের দুঃসময় ঘনিয়ে আসার প্রধান কারণ সরকার করোনা মহামারির সময় থেকে দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন সীমিত করেছে। এর ফলে সংবাদপত্র প্রকাশের খরচ এবং বিক্রির মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থের মধ্যে বিশাল ব্যবধান থেকে যায়। মাস, বছর, ছয় মাসে যেসব সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ পায় সেগুলোতে বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এরফলে, সেই সাময়িকী প্রকাশের ক্ষমতা ক্ষীন হয়ে বিশেষ করে নব্য কবি ও সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশ হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়েছে। বহু সাময়ীকি প্রকাশনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সমাজ চেতনামূলক লেখা প্রকাশের সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়ে এসেছে। লোকসানের বোঝা বহন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দীর্ঘদিন প্রকাশনা চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। সরকারি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন নীতিতেও যথেষ্ট পরিবর্তনে এসেছে। বাণিজ্যিক সংস্থাগুলো এখন ইলেকট্রনিক প্রচার মাধ্যমের উপর বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছে ছাপা মাধ্যমগুলি। সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে ছাপা সংবাদ মাধ্যম ও সাহিত্য সাময়িকী গুলোকে টিকিয়ে রাখা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। এই পথ যেন ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। সমাজের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা সামাজিক যে সকল বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন তাদের সেই লেখা প্রকাশের জায়গা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে তা সমাজের পক্ষে কখনোই মঙ্গলজনক নয়। গুণীজনদের চিন্তাধারা সমাজকে সুপথে চালিত করে থাকে। তাদের লেখনি সমাজকে পথ দেখায়। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তৎকালীন জন নেতারা কলম ধরেছিলেন বলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাধীনতা চেতনা জেগে উঠেছিল। স্বাধীনতার পরবর্তীকালে সংবাদপত্র বা সাময়িকির ভূমিকা কিছুটা বদলে গিয়েছে। তবে এখনো এগুলির মাধ্যমেই মানুষের মনে প্রভাব ফেলার মত মতামত প্রকাশিত হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশের সুবিধা গুলো যদি সংকীর্ণ হয়ে আসে তবে তা গণতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সংবাদপত্রগুলির প্রচার সংখ্যা কমে আসার পেছনে নানা কারণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি কারণ হলো কেবলমাত্র সরকারের কাজকর্মের গুণ কীর্তন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা। পাঠকরা এসব সংবাদের পাশাপাশি সরকারের যেসব প্রকল্পের কাজ হয়নি বা প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে। এ খবরও জানতে চান। এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা যুক্ত কি কিভাবে যুক্ত এসব অন্তর তদন্তমূলক প্রতিবেদন দেখতে চান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এ ধরনের তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সেই পত্রিকার উপর বিজ্ঞাপন বন্ধের খাঁড়া নেমে আসে। এই বাস্তবতা অনেকেই জানেন না। ফলে পাঠকদের সব চাহিদা ইচ্ছে থাকলেও পূরণ করা সংবাদ প্রতিষ্ঠান পক্ষে সম্ভব হয় না। বর্তমান সময়ে সহনশীলতার খুবই অভাব দেখা যাচ্ছে। শাসকরা কোনো ধরনের সমালোচনা শুনতে রাজি নন। শাসক পক্ষ যায় সংবাদপত্র গুলি তাদের তাবেদারিতেই মগ্ন থাকুক। এই মনোভাব সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানগুলিকে সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। তবে আগে এমন অসহিষ্ণু পরিস্থিতি ছিল না। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে সংবাদপত্রগুলি অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে এসেছে। যার ফলে সরকারের অনেক ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে সমাজের উপকার করেছে। সংবাদপত্রের সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার তাদের ভুল ত্রুটিগুলি সংশোধন করার সুযোগ পেয়েছে। একসময় কার্টুনিস্ট কুট্টি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নানান কর্মকাণ্ড নিয়ে কার্টুন আঁকতেন। তার কার্টুনের বই ইন্দিরা গান্ধী স্বয়ং উন্মোচন করেছিলেন। এ ঘটনাই স্মরণ করিয়ে দেয় সে সময় সামাজিক পরিস্থিতি কেমন ছিল। যদিও জরুরি অবস্থা জারি করার জন্য ইন্দিরা গান্ধীর বদনাম রয়েছে কিন্তু তার মধ্যে সহনশীলতাও ছিল। বর্তমান সময়ে এ ধরনের সহনশীলতার খুবই অভাব লক্ষ্য করা যায়।

পাঠক যেহেতু পকেটের পয়সা খরচ করে সংবাদপত্র কিনে থাকেন কাজেই সংবাদপত্রের কাছে তাদের কিছু কিছু চাহিদা থাকতেই পারে। প্রকারান্তরে এই চাহিদা কিভাবে মেটানো সম্ভব এর পথ খুঁজে নিতে হবে সংবাদপত্র গুলিকে। পাঠকরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত, তাদের কর্মকাণ্ড, সমাজে ঘটে যাওয়া অপরাধ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, সামাজিক অবক্ষয় সব বিষয়ে তথ্য পেতে আগ্রহী। সংবাদপত্রগুলি বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে পাঠকদের চাহিদা মেটানোর নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে শাসক দলের চাপে পড়ে রাজনৈতিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের ক্ষেত্রে যে মনোভাব নিয়ে চলছে সেটা অনেক পাঠকেরই পছন্দ নয়। ফলে পাঠকরা ধীরে ধীরে সংবাদপত্রের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হেডলাইনগুলো পড়ে কোথায় কি করছে তা জেনে নেবার চেষ্টা করেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব তথ্য পরিবেশিত হয় তা যাচাই করা সম্ভব নয়। অনেক সময় অতিরঞ্জিত ঘটনা বা ফেক ভিডিও তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাধারণ মানুষের পক্ষে এই সত্য মিথ্যা নিরূপণ করা খুবই কঠিন। একমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার গল্প গুলোকে সংবাদপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই পাঠকরা বুঝতে পারবেন আসলে কোনটা সত্য। এজন্যই সংবাদপত্রকে অবহেলার চোখে দেখার কোন সুযোগ নেই। মননশীল পাঠকরা এখনো সংবাদপত্রের উপর ভরসা রাখেন। তবে নব প্রজন্মের পাঠকরা চাপা মাধ্যমের পরিবর্তে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের প্রতি বেশি আগ্রহী। মুঠো ফোনের মাধ্যমে তারা দৈনন্দিন খবরের সারাংশটুকু জেনে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন।

ভারত যেহেতু কল্যাণকামী রাষ্ট্র। তাই সংবাদ মাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব রয়েছে সরকারের। কারণ , ভারতে যে সরকার প্রতিষ্ঠা হয় তার দায়িত্বই হল জনসেবা করা। গণতন্ত্রের ভিতকে মজবুত করে রাখার জন্য সংবাদ মাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাই সরকারের উচিত বিজ্ঞাপন নীতিকে সহজ করে তোলা। কোনো সংবাদপত্র বিরুদ্ধে মতামত পোষণ করতেই পারে। তা বলে তাদের অচ্ছুত করে রাখলে তা কখনোই সমাজের বা দেশের সার্বিক কল্যাণে সহায়ক হবে না। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যাতে ক্ষুন্ন না হয় তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব সরকারের। সরকারের কোন ভুল কাজের যদি সমালোচনা হয় তাহলে সে ভুল সংশোধন করার পদক্ষেপ নিতে পারে সরকার। তাছাড়া বিরোধীরা কোন ধরনের মনোভাব পোষণ করে চলছে সেগুলোও সংবাদপত্রের মাধ্যমেই সরকারের নজর করা সম্ভব। বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সংবাদপত্রগুলিকেও তাদের প্রচার কৌশল কিছুটা বদলাতে হবে যাতে তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঠকের কাছে তাদের সামগ্রী নিয়ে পৌঁছাতে পারেন। বেসরকারি বিজ্ঞাপন সংগ্রহের জন্য তাদের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি তাদের উৎপাদিত সামগ্রী ভোক্তাদের হাতে পৌঁছুতে পারে সেজন্য অনেক ক্ষেত্রে তারা বিজ্ঞাপনের সাহায্য নিয়ে থাকেন। কেবলমাত্র বৈদ্যুতিন প্রচার মাধ্যমেই নয় ছাপা মাধ্যমেও যাতে তাদের সেই প্রচার অব্যাহত থাকে সেজন্য সংবাদপত্র গুলিকেই অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে তাদের বিজ্ঞাপন নীতি ঠিক করতে হবে। পাঠকের মনে কৌতূহল সৃষ্টি হয় এমন ধরনের সংবাদ এ অধিক মনোনিবেশ করতে হবে। ইলেকট্রনিক প্রচার মাধ্যমের ভুলভাল সংবাদগুলির বদলে সেই ঘটনার প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে পাঠকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব ।
(মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *