হাতে আম্বেদকরের আত্মজীবনী, দিল্লিতে পা রাখলেন অভিজিৎ ! অনুমতি নিয়েই পথে নামছে সিজেপি

Spread the news

৬ জুন : নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের অনুমতি চেয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। আত্মপ্রকাশের পর কয়েকদিনেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে এই পার্টি।

এদিন, প্রথম বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে তাঁদের। আর সিজেপিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফে। শনিবার সকালে রাজধানীর যন্তর মন্তরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-এর ডাকে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এদিন আমেরিকা থেকে দিল্লিতে পৌঁছেছেন।

বিমানবন্দরেই তাঁর সঙ্গে দেখা করেন দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা এবং তাঁকে যন্তর মন্তরে গিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, প্রথমে অভিজিৎ দীপকে তাঁর সমর্থকদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনে জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে পুলিশের কাছ থেকে বিক্ষোভের অনুমতি চাওয়া যায়।

তবে পরে অনুমতি মেলায় তিনি সমর্থকদের সরাসরি যন্তর মন্তরে পৌঁছনোর অনুরোধ জানান। বিমানবন্দর থেকে বেরোনোর সময় দীপকের হাতে ভারতের সংবিধানের প্রতিষ্ঠাতা ড. বিআর আম্বেদকরের আত্মজীবনীর একটি কপি দেখা গিয়েছে।

অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তর এবং সংলগ্ন মধ্য দিল্লি এলাকায় প্রায় ২,০০০ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

বিক্ষোভস্থলে বিতরণ করা একটি প্রচারপত্রে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ জানিয়েছে, এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হল নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচারের দাবি তোলা এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা।

প্রচারপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংগঠনের অনলাইন পিটিশনে ইতিমধ্যেই ৮ লক্ষেরও বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে এই সংগঠনের সূচনা করেন অভিজিৎ দীপকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের আবহে এই সংগঠনের জন্ম হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *