মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ২ এপ্রিল : পাথারকান্দির ঘটনায় উঠছে বড় প্রশ্ন, সম্মানহানির রাজনীতি নয়, চাই শান্তি ও সহাবস্থান পাথারকান্দির কংগ্রেসের বার্তা। বুধবার পাথারকান্দি বিধানসভার রাধাপ্যারি অঞ্চলে এক অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনার সৃষ্টি হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী প্রচার চালাতে গিয়ে পাথারকান্দির প্রাক্তন বিধায়ক মণিলাল গোয়ালা একাংশ জনগণের বাধার সম্মুখীন হন। অভিযোগ অনুযায়ী, বিজেপির প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু পালের নির্দেশে একদল কর্মী তাঁর পথরোধ করে দাঁড়ায়, তাঁকে এগিয়ে যেতে বাধা দেয় এবং তাঁর সঙ্গে অশালীন ও অমর্যাদাকর আচরণ করে।
মণিলাল গোয়ালা পাথারকান্দির তিনবারের নির্বাচিত বিধায়ক, একজন প্রবীণ নাগরিক এবং সমাজের একজন শিক্ষাবিদও। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তিনি এই অঞ্চলের মানুষের অগাধ আস্থা, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাঁর মতো একজন মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী নয়, বরং এটি সমাজের নৈতিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত হানে।
কংগ্রেস কর্মকর্তারা বলেন, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ন্যূনতম সৌজন্যবোধ হিসেবে কৃষ্ণেন্দু পালের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তিনি তা না করে বরং তাঁর কর্মীদের এই ধরনের আচরণকে পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়েছেন বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। পাথারকান্দির মতো শান্তিপূর্ণ অঞ্চলে ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের মতো প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির সংস্কৃতি আমদানি করার এই প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ভবিষ্যতের জন্য এক অশনি সংকেত। তাঁরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পাথারকান্দি গড়ে তোলার আহবান করেন।



