২৪ মার্চ : জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল এক মহিলার মুণ্ডহীন দেহ। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর জেলার নারসেনার ঘুঙ্গরাওয়ালি গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ পচাগলা অবস্থায় ওই দেহটি উদ্ধার করা হয়। প্রথমে মৃতার পরিচয় জানা না গেলেও পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশের পর পরিবারের সদস্যরা দেহটি শনাক্ত করেন। নিহতের নাম বাবলি দেবী (৩৮), তিনি দিল্লির পূর্ব দিল্লির কল্যাণপুরী এলাকার বাসিন্দা।
এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত বিকাশ কুমার (৩২), যিনি বুলন্দশহরের বাসিন্দা। তিনি আগে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বাবলির স্বামীর সঙ্গে কাজ করতেন। স্বামীর মৃত্যুর পর বাবলি ও বিকাশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে অশান্তি তৈরি হয়। অভিযোগ, ১৫ মার্চ বিকাশ কৌশলে বাবলিকে নিজের গ্রামে নিয়ে যায় এবং সেখানে তার ভাই সচিন ও বন্ধু অমন কুমারের সঙ্গে মিলে একটি জঙ্গলে তাকে খুন করে।
অপরাধ গোপন করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবলির মাথা কেটে দেহ থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর তদন্ত ভিন্নখাতে ঘোরাতে বিকাশ নিজেই একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করে। তবে পুলিশের নজরদারিতে শেষ পর্যন্ত তাকে গাজিয়াবাদের মুরাদনগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অমন কুমারকেও আটক করা হয়েছে। পলাতক সচিনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




