
বরাক তরঙ্গ, ১৭ অক্টোবর : দুর্গাপুজোর আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে এক মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করলেন হাইলাকান্দির বিধায়ক ড. মিলন দাস। মহাসপ্তমীর দিন কাটলিছড়ার একটি বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক প্রবীণদের নিয়ে হাইলাকান্দি শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। বিধায়কের এই উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে সামিল হওয়ার সুযোগ পান বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ বাসিন্দারা।
দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, উৎসব ও প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটানো। কিন্তু নানা কারণে অনেক প্রবীণকে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়। পুজোর সময় প্রতিমা দর্শনের ইচ্ছা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের পক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না।
প্রবীণদের এই ইচ্ছার কথা বিবেচনা করেই তাঁদের নিয়ে পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা করেন বিধায়ক ড. মিলন দাস। তাঁর সঙ্গে হাইলাকান্দি শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে প্রতিমা দর্শন করেন বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকরা। এর ফলে অন্যান্য মানুষের মতো তাঁরাও দুর্গোৎসবের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পান।

এ প্রসঙ্গে বিধায়ক ড. মিলন দাস জানান, সন্তানরা দূরে থাকলেও প্রবীণদের মনেও পুজো দেখার ইচ্ছা থাকে। তাঁরাও অন্যদের মতো উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে চান। প্রবীণদের সেই ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিধায়কের এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রবীণদের প্রতি যত্ন, ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে এই উদ্যোগ। সমাজের একাকী ও অসহায় মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এই প্রচেষ্টা দুর্গাপুজোর সামাজিক তাৎপর্যকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। শারদোৎসব যে কেবল আনন্দ উদ্যাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পারস্পরিক সহমর্মিতা ও মানবিকতারও এক অনন্য প্রকাশ, তা আরও একবার প্রমাণ করল এই উদ্যোগ।



