৯ এপ্রিল : অসমের সঙ্গে চলছে কেরল এবং পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই রাজ্যগুলিতে বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রয়েছে আরও পাঁচটি আসনের উপনির্বাচনও। উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ ভারত— সর্বত্রই এখন নজর ইভিএমের দিকে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ওয়েবকাস্টিং এবং ভোটারদের জন্য বিশেষ সুযোগসুবিধার আয়োজন রেখে সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
কেরলের ১৪০টি আসনে চিরাচরিত দ্বিমুখী লড়াই হচ্ছে ক্ষমতাসীন ‘লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’ (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’-এর (UDF) মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ধর্মাদম থেকে লড়ছেন। যদি বামফ্রন্ট এবারও জেতে, তবে তা হবে এক ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক। এদিকে, বিজেপিও রাজ্যে প্রভাব ফেলতে রাজীব চন্দ্রশেখরকে নেমম থেকে প্রার্থী করেছে। গতবার ৯৭টি আসন জিতে বামেরা ক্ষমতা ধরে রেখেছিল, যা কেরলের দীর্ঘদিনের ক্ষমতা পরিবর্তনের প্রথা ভেঙে দিয়েছিল।
পুদুচেরির ৩০টি আসনে লড়াই এনডিএ এবং ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Bloc) মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী এন রাঙ্গাসামি দু’টি আসন থেকে লড়ছেন। এবার সেখানে নতুন ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা দিয়েছে অভিনেতা বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (TVK)।
পাশাপাশি পণ্ডা (গোয়া), বাগলকোট ও দাবানগেরে দক্ষিণ (কর্নাটক), কোরিদাং (নাগাল্যান্ড) এবং ধর্মনগর (ত্রিপুরা) বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন চলছে। সংশ্লিষ্ট আসনের বর্তমান বিধায়কদের (MLA) মৃত্যুর কারণেই এই উপনির্বাচনগুলোর আয়োজন করা হয়েছে।
গরমের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে জল ও পাখার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি। পুদুচেরিতে ২০০-র বেশি বুথকে অতি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিন রাজ্য মিলিয়ে ৩ কোটিরও বেশি ভোটার আজ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের ফলাফল ঘোষণা হবে আগামী ৪ মে।



